# Are the Scientific Miracles of the Qur'an Real? - Does the Qur'an Conflict with Science?

- Language: bn
- Published: 2026-08-26
- Canonical: https://blog.towardseternity.com/bn/blog/are-the-scientific-miracles-of-the-quran-real-does-the-quran-conflict-with-science
- Source video: https://www.youtube.com/watch?v=0OvZ9QJIOCc
- Channel: Towards Eternity

This is the cleaned transcript of the source video. The speech is unaltered.

---

+এবার আমরা আরো কঠিন প্রশ্ন নিয়ে এসেছি। + আমার মনে হয় না ৬০ সেকেন্ড পর্যাপ্ত হবে। - চলুন শুরু করি। + কুরআন কি মানুষের দ্বারা লেখা সম্ভব, নাকি নয়? - কুরআন যে একটি সঠিক গ্রন্থ সে ব্যাপারে বহু উদাহরণ এবং প্রমাণ আছে। + আপনি কি বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দেখাতে পারবেন? + কেউ কেউ কুরআনে বর্ণিত বৈজ্ঞানিক বিস্ময় এর বিরুদ্ধে তর্ক করে এবং কিছু মানুষ বলে আপনারা জোর পূর্বক এসব আলোচনা করছেন। + আপনি কিভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দিবেন? + এই প্রশ্ন একজন সম্পাদকের কাছ থেকে এসেছে। + কেউ কেউ দাবী করেন আল কুরআনে বর্ণিত বিস্ময়কর তথ্যগুলো সুমেরীয় সভ্যতা থেকে মানুষ জানতো। আপনার কি এ ব্যাপারে কিছু বলার আছে?

+ আপনার কাছে প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ৬০ সেকেন্ড সময় আছে। + এবার আমরা আরো কঠিন প্রশ্ন তৈরি করেছি। + আমি মনে করিনা যে ৬০ সেকেন্ড পর্যাপ্ত হবে। - আপনি আগের ভিডিওগুলোতেও এমন বলেছিলেন, কিন্তু... - চলুন, শুরু করা যাক। + আল কুরআন কি মানুষের পক্ষে লেখা সম্ভব, নাকি নয়? +আমরা কিভাবে জানবো যে কুরআন একটি সত্য (পবিত্র) গ্রন্থ? - এ ব্যাপারে আমরা শত শত উদাহরণ দিতে পারি। উদাহরণস্বরূপ; একটি ফোনের উদ্ভাবক সবচেয়ে ভালোভাবে ফোনের সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে পারবে। তাইনা?

একইভাবে (অনুরূপ) এই বিশ্ব জগত এবং মানুষের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করার সবচেয়ে নিখুঁত সূত্র আল কুরআন। স্বাভাবিকভাবে, এটা সঠিক (পবিত্র) গ্রন্থ। আমরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে কুরআন এর ব্যাপারে প্রচুর বিস্ময়কর তথ্য জানতে পারি। আমরা যখন আল কুরআনের অদেখা বিস্ময়কর চমকগুলো আমলে নেই তখন এটা আমাদের অতীত এবং বর্তমানের অজানা তথ্যগুলো দেয়। এর অলংকরণ আর লেখার জাদু সাধারন মানুষ এবং লেখকদের বিস্মিত করে, অন্য সবকিছুর চেয়ে কুরআনের অবস্থান ওপরে তা এর মাধ্যমে প্রমাণিত। কুরআন এ বর্ণিত আছে যে এটি ধারণ করা অসম্ভব এবং এসব শত শত বছর ধরে প্রমাণিত। যদিও কুরআন ৬০০ পাতার দীর্ঘ একটি গ্রন্থ, এটি কোটি মানুষ বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন বয়সসীমায় মুখস্ত করেছে, যা প্রমাণ করে আল কুরআন সত্য (পবিত্র) গ্রন্থ। অথবা, কুরআন নাজিল হতে ২৩ বছরের বেশি সময় লাগা সত্ত্বেও এটি একটি সম্পূর্ণ বিধান এবং এর কোন অসঙ্গতির অস্তিত্ব না থাকা সেই সত্যতা প্রমাণ করে। কুরআন একজন নিরক্ষর (লিখতে এবং পড়তে অক্ষম) মানুষের দ্বারা লেখা হয়েছে এটাও একটি প্রমাণ বলতে হবে। পবিত্র কুরআন প্রতিটি শতাব্দি এবং সমাজের সাথে সম্পর্কিত, যা চূড়ান্ত জ্ঞান, নির্দেশনা এবং সমাধান উপস্থাপন করে। এটি সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য এবং সন্তোষজনক উপায়ে (পদ্ধতিতে) মন, হৃদয় এবং রুহে বার্তা প্রেরণ করে। আরো প্রচুর প্রমাণ আছে। + এটা বিজ্ঞানের যুগ, আমরা এখন একবিংশ শতাব্দিতে আছি। + আপনি কি আমাদের কুরআন থেকে বৈজ্ঞানিক সাক্ষ্য (প্রমাণ) দিতে পারেন?

- পবিত্র কুরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য থাকা না থাকায় কিছু আসে যায় না। আমরা যে বিষয়গুলা উল্লেখ করেছি তাতে ইতিমধ্যেই প্রমানিত হয়েছে যে কুরআন সত্য (পবিত্র) গ্রন্থ। যদি কোন ব্যাক্তি এইসব সাক্ষ্য মিথ্যা প্রমাণিত না করতে পারেন, যা অবশ্যই তিনি পারবেন না, তবে আমরা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করে দিয়েছি যে কুরআন সত্য। কিন্তু আপনি যদি জানতে চান যে কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য আছে কিনা, অনেক আছে। আমরা আগের (পূর্বের) ভিডিওগুলোতে ইতিমধ্যেই এসব উল্লেখ করেছি। কুরআনে জ্যোতির্বিদ্যা, শারীর-বিদ্যা, জীববিজ্ঞান এবং ভ্রূণতত্ত্ব এর উল্লেখ আছে। জ্বি, আল কুরআনে নতুন নতুন উদ্ভাবনের অনেক ইশারা এবং প্রমাণ আছে। +আপনি কি বৈজ্ঞানিক বিস্ময়কর কোন উদাহরণ আমাদের দিতে পারেন?

- আমরা এমন অসংখ্য উদাহরণ দেখতে পাই যা মানুষকে বিস্মিত করে। যেমন, সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত ৪৭ : আর আসমান আমরা তা নির্মাণ করেছি আমাদের ক্ষমতা বলে এবং আমরা নিশ্চয়ই মহাসম্প্রসারণকারী। মহা জগতের সম্প্রসারেণের ব্যাপারে তখন কেউ জানতো না। উলটো তখন বিশ্বাস করা হতো সব থেমে আছে, এমনকি নিউটনের সময়েও। ১৯২৯ সালে হাবল টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ আবিষ্কৃত হয়। ১৪০০ বছর আগে কুরআনে বর্ণিত তথ্য প্রমাণ করে যে, মানুষের এই বিষয়ে জ্ঞান থাকার কথা ছিলো না। একমাত্র আল্লাহ, যিনি এই মহাবিশ্বের অধিষ্ঠাতা এবং যার সম্প্রসারণের জ্ঞান আছে, তিনি এমন বক্তব্য দিতে পারেন। এই বৈজ্ঞানিক চিহ্নের মাধ্যমে আমরা সহজেই কুরআনের সত্যতা যাচাই করতে পারি। কেউ কেউ কুরআনে বর্ণিত বৈজ্ঞানিক আজুবার বিরুদ্ধে তর্ক করে এবং এমনো অনেকে আছেন যারা বলেন আপনি জোড়পূর্বক আলোচনা করেছেন। + তাছাড়া তারা দাবী করে এই আয়াতে "সম্প্রসারণ" বলতে আল্লাহ এর করুণা এবং শক্তির প্রসারকে বোঝানো হয়েছে। + আপনি কী মনে করেন?

- এগুলো বলার মানে বহু প্রমাণকে উপেক্ষা করা। সত্যি বলতে, শুধু এই আয়াত নয়, এমন আরো অনেক উদাহরণ আছে। প্রতিটি আয়াত কি জবরদস্তি করে ঘোষণা করা হয়েছে?

এটি আমরা আরবি ব্যাকরণ দিয়ে বলতে পারি। আমি আরবি ভাষায় ইতিমধ্যেই অর্থ পেয়ে গেছি। ‎أَوْسَعَ এটা শেকড়ের শব্দ ‎وَالسَّمَٓاءَ بَنَيْنَاهَا بِاَيْدٍ وَاِنَّا لَمُوسِعُونَ ‎مُوسِعُونَ শব্দ ‎أَوْسَعَ এই শেকড় থেকে এসেছে। এর অর্থ অনেক বিস্তৃত, কিন্তু কিছু অজানা রয়ে গেছে। আয়াতের স্তরগুলোঃ এর তাফসীর অজানা। কুরআনের আয়াতের তাফসীর এর বিস্তৃতি বিশাল। সেখানে একটি মূল (স্বচ্ছ) অর্থ আছে এবং একটি অন্তর্নিহিত (ব্যাখ্যা) অর্থ আছে। তাহলে, আমরা যা করবো; প্রতীয়মান অর্থের সাথে, এটি ভিন্ন ভিন্ন সময়কে নির্দেশ করে যেখানে নতুন অর্থগুলো হারিয়ে যেতে পারে। কোন ব্যাক্তি যদি বাহ্যিক অর্থের সাথে অন্তর্নিহিত অর্থের মানে বুঝতে না পারেন, তিনি ভাবতে পারেন জোরপূর্বক একটি অর্থ দাঁড় করানো হচ্ছে। পবিত্র কুরআনের ব্যাখ্যার স্তর অনেক গভীর, কুরআনের পর্যবেক্ষণ করতে অসীম সময়ের প্রয়োজন। + আপনি সুন্দর উত্তর দিয়েছেন, কিন্তু আমি আমার উত্তর পাইনি। আমি পরিধির ব্যাপারে বলছিলাম। - জ্বি, এই আয়াতের লক্ষ্যও পরিধির বিষয়ের মধ্যে পড়ে। যখন তাফসীর বিশ্লেষণ করা হয়, হয়তো এটি নির্দেশ করতে পারে যে এই সময়ে বিশ্বজগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। তাই, একজন ব্যাক্তি একই সময় আল্লাহ এর শক্তির বিস্তৃতি এবং বিশ্বজগতের সম্প্রসারণ দুটোই মেনে নিতে পারেন। আমরা যেমনটি বলেছিলাম, হয়তো এই আয়াতে আল্লাহ বাহ্যিক এবং অন্তর্নিহিত দুটো অর্থই বুঝিয়েছেন। যারা বলে " আপনি জোরপূর্বক এই অর্থগুলো মিলিয়েছেন" তারা জানে না যে এই আয়াতগুলোর কতো গভীর অর্থপূর্ন এবং এর নানা স্তর আছে। + সম্পাদক একটি প্রশ্ন করেছেন, আমি কি তা পড়বো?

- ব্যাপার না। + এইযে। - পবিত্র কুরআনের অলৌকিকতা সুমেরীয় সভ্যতা থেকে পরিচিত ছিলো তা নিয়ে অনেকের মতবিরোধ আছে। - আপনার কী কিছু বলার আছে? এটি বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন। প্রথমত, এই তথ্যের সত্যতা আমি নিশ্চিত করিনি, তাই আমি জানি না যে কোন প্রমাণ আছে কিনা, কিন্তু যদি থেকেও থাকে তাতে কিছু যায় আসে না। কোরআন কি কোথাও দাবী করেছে যে এই তথ্য প্রথম বারের মতো উন্মোচিত হয়েছে? অবশ্যই না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কুরআনে তথ্যের সত্যতা। আমরা কি সত্যকে অস্বীকার করতে পারি?

না। এটি যদি আগেও বর্ণিত হয়ে থাকে, এর শুদ্ধতার ওপর প্রভাব পড়বে না। তাছাড়া, আমরা জানি যে ১২৪০০০ জন নবী এসেছিলেন। এটা খুব স্বাভাবিক যে অন্যান্য নবীগণ যারা হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর আগে এসেছিলেন, তাঁরা সঠিক তথ্য দিয়েছিলেন। নবীগণ সঠিক বার্তা প্রচার করেন। তাই কোরআনের পূর্বে যদি একই জ্ঞান প্রচারিত হয়ে থাকে তবে তাতে কোন সমস্যা নেই। এতে কোরআনের শুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রভাব পড়বে না। আমি এটাও বলতে চাই; ইতিহাসে হাজারো দাবী আছে। আমরা কি বলতে পারি যে, সত্য হিসেবে যা দাবী করা হয় তাই কোরআন বেছে নিয়েছে?

একমাত্র সর্বজ্ঞ আল্লাহই সত্য আর মিথ্যার যাচাই করতে পারেন, অবশ্যই এমন একজন গ্রন্থটি পাঠিয়েছেন যিনি সময় এবং কাল সম্পর্কে অবগত। তাছাড়া, সবাই জানে যে প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) নিরক্ষর (লিখতে পড়তে জানতেন না) ব্যাক্তি ছিলেন, তাঁর পক্ষে সুমেরীয় সভ্যতার তথ্য-বিবরনী পাওয়া এবং অধ্যয়ন করা অসম্ভব ছিলো। জানা যায়, সুমেরীয় ফলকের লিপি পরবর্তীতে অনুবাদ করা হয়, তাদের কাছ থেকে তথ্য চুরি করা হয়েছে এমন কিছু দাবী করা শুধু সত্যকে অস্বীকার করা মাত্র। + ভবিষ্যতে বিজ্ঞান যদি অন্য কিছু বলে, তাহলে আপনি কি বলবেন?

- জ্বি, বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল। আমরা দাবী করি না যে বিজ্ঞান সঠিক উত্তর প্রদান করে। বিজ্ঞান সর্বদা পরিবর্তিত হয় আর উন্নত হয়, কিন্তু কুরআন তা করে না। আল্লাহ এর জ্ঞান সত্য এবং নিখুঁত। আগেও বলেছি যে, কুরআনের আয়াতগুলোর অর্থের বিভিন্ন স্তর রয়েছে। মূল অর্থ ছাড়া এগুলোর অন্যান্য তাফসীরের একটি এই যুগে আবিষ্কৃত হবে মনে করি। যদি ভবিষ্যতে বিজ্ঞান পরিবর্তিত হয়, এটি মূল অর্থকে পরিবর্তন করবে না। কেবল এর লুকায়িত তাফসীরের পরিবর্তন আসবে। উদাহরণস্বরূপ; লোহা নিয়ে যে আয়াতটি। সূরা আল-হাদিদ আয়াত ২৫। সেখানে এর অর্থ, "...

আরও নাযিল করেছি লোহা..." লোহার অর্থ নেয়ামত হিসেবে পাঠানো হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই জানি যে এটি ভবিষ্যতেও বদলাবে না। অন্যভাবে বলতে গেলে, নেয়ামত হিসেবে এটি ব্যাবহারের মানে, একটি গাড়ি বা একটি কাটাচামচ তৈরি করা... এটি বদলাবে না, কিন্তু এর অর্থকে বৈজ্ঞানিক বিস্ময় হিসেবে অনুবাদ করা হয়তো নতুন উদ্ভাবনের সাথে বদলে যাবে, কিন্তু কোরআন নিখুঁত থাকবে। + যারা বলে কুরআনে বৈজ্ঞানিক ত্রুটি রয়েছে- তাদের জন্য আপনি কী বলবেন? - কুরআনে কোন বৈজ্ঞানিক ত্রুটি নেই। এটা অসম্ভব। কারণ, আল্লাহ এই বিশ্বজগতের মালিক। একটি আয়াতে উল্লেখ্যঃ আল-মুলক ১৪ : " যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি কি করে জানবেন না? যেখানে তিনি সুক্ষজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত।" ধরে নিলাম বিজ্ঞান কুরআনের বিপরীতমুখী। এমন কিছুর অস্তিত্ব নেই, কিন্তু ধরে নিলাম এমন হবে...

আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে বিজ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। আজ এটা কিছুকে "ক" বলছে, কাল হয়তো বলবে "খ"। পবিত্র কুরআন একটি উন্মোচন, এটি নিশ্চিত, এর পরিবর্তন হয় না। আমরা ইতিমধ্যেই শত শত প্রমাণের মাধ্যমে তা জানি। ধরা যাক, ২০০ বছর আগে, সম্পূর্ন বিজ্ঞান জগত স্বীকার করেছিলো একটি আবিষ্কার। তারা মেনে নিয়েছিলো যে জগত অনড় এবং অসীম। যখন সম্পূর্ন বিজ্ঞান জগত তা স্বীকার করে নিয়েছিলো তখন কুরআন বলেছিলো বিশ্বজগতের একটি শুরু আছে। তার মানে একটা সময় ছিলো যখন তা বিজ্ঞানকে বিরোধিতা করতো, কিন্তু তারপর কি হলো?

তারা অন্য কিছু আবিষ্কার করলো, এবং গোটা বিজ্ঞান জগত নতুন ধারণাকে স্বীকার করে নিলো, সৃষ্টির শুরুকে যাকে আমরা " দা বিগ ব্যাং" বলি। এর ফলে, বিজ্ঞান ফিরে গেলো কুরআনের কাছে। বেদিউজ্জামান যেমনটি বলেছেনঃ " ...

সময় বাড়ার সাথে সাথে পবিত্র কুরআন তরুণ হবে।" + যেহেতু পবিত্র কুরআন বৈজ্ঞানিক বিষয়বস্তুতে পরিপূর্ণ এবং আপনি এ ব্যাপারে নিশিচত, তাহলে বিজ্ঞানীদের কুরআন পড়তে দিন এবং সেখান থেকে বিজ্ঞান খুঁজুন। - পবিত্র কুরআনের মূল অর্থ জানা আবশ্যক। কুরআন বস্তুর চেয়ে তার অর্থকে বেশি প্রাধান্য দেয়। সূর্যের অবস্থান এবং দূরত্ব এর ব্যাপারে না বলে; এটি সূর্যের কার্যপদ্ধতি, এর সৃষ্টি এবং স্রষ্টার সাথে এর সম্পর্কের কথা বলে। কুরআন গণিত, বিজ্ঞান বা পদার্থ বই না। এটা তার উদ্দেশ্য নয়। বরং এটি এমন প্রশ্নকে আলোকিত করে- যেমন " আমি কোথা থেকে এসেছি?" " আমি কোথায় যাচ্ছি?" " আমার উদ্দেশ্য কী?", "আমি যে বিশ্বজগত দেখি তার আসল অর্থ কী?" ...

এটা বাস্তবতার বাইরের অর্থ প্রকাশ করে। এটা বাস্তবিক জগতকেও নির্দেশ করে, আবার বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনকেও। এটা তাদের কাছে সুপ্ত অর্থ নিয়ে নির্দেশিত হয়। তাফসীর বিভ্রান্তিকর হওয়া উচিত নয়। যখন কুরআন বিশ্বজগতের অপ্রকাশ্য কে প্রকাশ করে, একই সাথে জগতের বস্তুগুণ এবং নতুন উদ্ভাবনের অন্তর্নিহিত অর্থও ধারণ করে। আমরা জানি না কেন কুরআন বৈজ্ঞানিক বিস্ময়ের ব্যাপারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে নি। যেমন, কুরআন কেন পেঙ্গুইন এর কথা বলেনি? এটাও বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন। আগেও বলেছি, কুরআন তো প্রাণিবিদ্যা বই নয়। এটি সৃষ্টির মর্মার্থ বোঝার গ্রন্থ। কোনকিছুই ধরাছোঁয়ার বাইরে নয়।
