# Atheist Muslim Debate At The University! - HE COULDN'T ANSWER!

- Language: bn
- Published: 2026-08-25
- Canonical: https://blog.towardseternity.com/bn/blog/atheist-muslim-debate-at-the-university-he-couldnt-answer
- Source video: https://www.youtube.com/watch?v=Bf0gHh6ORwc
- Channel: Towards Eternity

This is the cleaned transcript of the source video. The speech is unaltered.

---

আমি একজন নাস্তিক। আমি একজন সত্যিকারের মুসলমান ছিলাম, কিন্তু তখন... আমি বিশ্বাস করি যে কাকতালীয় কিছু ঘটনা মানুষকে তৈরি করেছে। আমি আজকের মুসলমানদের মত তথাকথিত মুসলমান ছিলাম না। আমি প্রার্থনা করতাম। আমি কোরআন পড়েছি। আমি আরবীতে কোরআন পড়তে শিখেছিলাম। তবে আমার দৃষ্টিকোণ কঠিন না। আমি সংকীর্ণ মনেরও না। যদি কেউ আমাকে আমার প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা এবং সন্তোষজনক উত্তর দেয়, আমি আবারও ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরে যেতে পারি। আপনি এখন কী করছেন? আপনিও কি METU তে পড়াশোনা করছেন? - হ্যাঁ, আমি METU তে সাইকোলজি পড়ছি। আমাদের আজকের বিষয় বিশ্বাস। আপনি কি আপনার বিশ্বাস সম্পর্কে একটু বলতে পারেন?

আসলে, আমি নাস্তিক, তবে 2-3 বছর আগে পর্যন্ত আমি মুসলমান ছিলাম। আমি আজকের মুসলমানদের মত তথাকথিত মুসলমান ছিলাম না। আমি প্রার্থনা করতাম। আমি কোরআন পড়েছি। আমি আরবীতে কোরআন পড়তে শিখেছিলাম। কোরানের অনুবাদ পড়েছি, রোজা রাখতাম। অর্থাৎ, আমি একজন মুসলমান ছিলাম, একজন প্রকৃত মুসলমান। কিন্তু কিছু বিষয়ে অনুসন্ধান করার পর আমি কিছু জিনিস বুঝতে পারি যেগুলো আমার সাথে মিলেনি এবং আমি অবিশ্বাস করতে শুরু করি। আমি নাস্তিকদের সাথে করা আপনার ভিডিওগুলোও দেখেছি, তারা বলেছে তারা বিশ্বাস করে না কিন্তু তাদের মতামতকে সমর্থন করতে পারেনি। আমি জানি না...

হয়তো তরুণরা নাস্তিকতাকে ভিন্নভাবে দেখে এবং বেশিরভাগই কোন অনুসন্ধান বা জ্ঞান ছাড়াই নাস্তিক হয়ে যায়। তাই তারা তাদের বিশ্বাসকে সমর্থন করতে পারে না। তাদের নাস্তিক হওয়ার বিষয়টাকে ভুল বলে মনে হয়েছে কারণ তারা প্রয়োজনীয় কথা বলতে পারেনি। যেন তারা নাস্তিক হয়েছে নিজেদেরকে চালাক বা অন্য কিছু দেখানোর জন্য। আপনি বলছেন যে আমরা অনবগত নাস্তিকদের সাথে কথা বলেছি। - হ্যাঁ। আমি মনে করি তারা অনবগত ছিল। তাহলে আপনি কি বলতে চাচ্ছেন যে আপনি জ্ঞানী?

- আমি আমার নিজস্ব অনুসন্ধান করেছি। আমি বলতে চাচ্ছি, আমি সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানার চেষ্টা করেছি যা আমাকে বিরক্ত করেছিল। এবং তবে আমার দৃষ্টিকোণ কঠিন না। আমি সংকীর্ণ মনেরও না। আমি যদি কারো কাছে আমার প্রশ্ন উপস্থাপন করি এবং তিনি যদি এমন ব্যাখ্যা দেন যা অর্থবহ, কেন আমি আবার বিশ্বাস করবো না? যতদূর আমি বুঝতে পারছি, আপনি প্রমাণ চান এবং যুক্তিযুক্তভাবে এগিয়ে যেতে চান। আচ্ছা, তাহলে আপনি কি আমাকে আল্লাহর অস্তিত্বহীনতার অন্তত একটা প্রমাণ দিতে পারেন? বা অস্তিত্বহীনতার কোন চিহ্ন?

- আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না যে কোন সৃষ্টিকর্তা নেই। আসলে, আমি ঈশ্বরের প্রতি কিছুটা অজ্ঞেয়বাদী, তবে আমি অবশ্যই মনে করি যে ধর্মগুলোর কোন অস্তিত্ব নেই। তাহলে আসুন সৃষ্টিকর্তার দিকে নজর দেওয়া যাক। যেমন, যদি আমি জিজ্ঞাসা করি, "এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষার্থী আছে?" আপনি বলবেন "আমি জানিনা।" যদি আমরা কোনও প্রমাণ, বৈশিষ্ট্য কাগজে কলমে আমাদেরকে দেওয়া কোনও নথিতে খুঁজে পাই তবে কোনও অজানা দিক থাকবে না। ঠিক? - হ্যাঁ। যদি আমি আপনাকে স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রমাণ দেই, আপনাকে যুক্তিসঙ্গত, সঙ্গতিপূর্ণ এবং স্পষ্ট প্রমাণ সরবরাহ করি, আমরা কী "অজানা" থাকার এই বিষয়টি থামাতে পারি? - আমি এখনই তা করতে পারব না। আমার প্রথমে অনুসন্ধান করতে হবে, কিন্তু...

আমি আপনাকে প্রমাণ দিব। - ঠিক আছে, আমি শুনছি। যদি প্রমাণগুলো অর্থবহ হয় তবে আপনি এখনই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। - ঠিক আছে, বলুন। ধরা যাক, আমরা সেলিমি মসজিদের সামনে আছি। আমি একটি উপাদান এবং একটি দৃঢ় উদাহরণ দিব। আমরা সেলিমিয় মসজিদের সামনে আছি এবং আমরা এটা কীভাবে নির্মিত হয়েছিল তার একটি সঙ্গতিপূর্ণ উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছি। আমাদের সামনে 4 টি মৌলিক বিকল্প রয়েছে। প্রথমত, হয় আমরা বলতে পারি যে এই মসজিদের পাশে বধির, অন্ধ এবং নির্বোধ একদল লোক রয়েছে, এবং তারা পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিল। অথবা দ্বিতীয়ত: মসজিদের ইটগুলো নিজেদের মধ্যে একমত হয়ে বলল, "আমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করছি, চলো একটি মসজিদ তৈরি করি।" আমি বলব যে ইটগুলো নিজেরাই এই মসজিদটি তৈরি করেছিল। অথবা তৃতীয় বিকল্প: আমি মসজিদের ভিতরে স্থাপত্য প্রকল্পের ম্যানুয়ালটিতে নির্মাণ পর্যায়ের বর্ণনা দেখতে পাচ্ছি। এবং আমি বলছি যে এই ম্যানুয়ালটি মসজিদটি তৈরি করেছে। অথবা চতুর্থ বিকল্প: একজন স্থপতি আছেন, মিমার সিনানের মত। আমি বলি যে একজন স্থপতি, মিমার সিনানের মতো প্রতিভাবান, তার জ্ঞান, ইচ্ছা এবং শক্তি দিয়ে এই মসজিদটি তৈরি করেছিলেন। এই বিকল্পগুলোর মধ্যে আপনি কোনটি বেছে নিবেন?

- আমি অবশ্যই মিমার সিনানকে বেছে নিব। ঠিক আছে, কিন্তু প্রতিটি মানুষ মসজিদের তুলনায় আরও জটিল এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ ভাবে গঠিত। আমি কি ঠিক বলছি? - মানুষ, হ্যাঁ। আমি যখন মানুষ সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত এবং সঙ্গতিপূর্ণ দিক থেকে ভাবি, তখন আমার একই প্রশ্ন মনে হয়। আমি মানুষের দিকে তাকাই, এবং একজন মানুষের প্রায় একশ ট্রিলিয়ন কোষ রয়েছে। এবং প্রতিটি কোষের ভিতরে, মাইটোকন্ড্রিয়া নামে আটশ অঙ্গাণু রয়েছে। এবং রাইবোজোম নামে 10 হাজার কণিকা রয়েছে। প্রতিটি কোষ একটি অবিশ্বাস্য কাঠামোর মধ্যে দিয়ে পদ্ধতিগতভাবে অগ্রসর হয়। জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক মাইকেল ডেন্টনের মতে: "প্রতিটি কোষ এক একটি নিউ ইয়র্ক শহরের মত।" আমাদের শরীরে কতগুলো কোষ রয়েছে?

100 ট্রিলিয়ন নিউ ইয়র্ক কোষ রয়েছে। আমি যখন এমন একটি জটিল কাঠামোর দিকে তাকাই, এটা কীভাবে করা হয়েছে তা জানার জন্য আমাকে একটি যুক্তিসঙ্গত উত্তর খুঁজে বের করতে হবে। মানুষের কোষ এবং দেহ একবার নির্মিত হয় না এবং মসজিদের মতো ছেড়ে দেওয়া হয়না। আমাদের শরীর কি সব সময় পুনর্বিকশিত হচ্ছে না? - হ্যাঁ, হচ্ছে। প্রতি সেকেন্ডে, ১০০০০ লাল রক্ত কণিকা তৈরি হয়, এবং ৫০ মিলিয়ন কোষ সতেজ করা হয়। এবং আমাদের মস্তিষ্কে, প্রতি সেকেন্ডে ১০/১৬ টি প্রক্রিয়া ঘটছে, তাই না?

হ্যাঁ ঘটছে। আমি এই জটিল কাঠামোটি দেখেছি, এবং আমি একই যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে যাচ্ছি। প্রতিদিন কীভাবে একজন মানুষ তৈরি হয় তা জানার জন্য আমার কাছে এখনও চারটি বিকল্প রয়েছে। 1- আমি বলব যে, এই বধির, অন্ধ এবং নির্বোধ প্রাকৃতিক ঘটনাগুলো মানুষকে পারস্পরিক সমঝোতায় তৈরি করেছিল। কিন্তু এটা অযৌক্তিক। কেন? কারণ অন্ধ, বধির এবং নির্বোধ ঘটনাগুলো কীভাবে একটি চুক্তিতে আসবে এবং ক্রমাগত মানুষ তৈরি করতে পারবে। আগে আমরা বলেছিলাম যে যদি এইভাবে মসজিদ তৈরি করা না যায়, মানুষ করা যাবে না, তাই তো? - আপনি যে বিষয়গুলো উল্লেখ করেছেন সেভাবে পারবে না। অথবা দ্বিতীয় বিকল্প: পরমাণুগুলো নিজেদের মধ্যেই মানব দেহকে গঠন করে এবং সৃষ্টি করে। তারা নিশ্চয়ই বলেছে: "আমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করছি?

চলো এই মানুষটি তৈরি করি।" এবং তারা সব সময় এটা চালিয়ে যাচ্ছে। এটাও মেনে নেওয়া যায় না। কেন?

আমরা যেমন বলেছিলাম, মসজিদ গঠনের জন্য ইট একত্রিত হতে পারেনি। তাহলে আমি বলব যে নিষ্প্রাণ পরমাণুগুলোও এই মানুষ গঠনের জন্য নিজেদের মধ্যে একমত হতে পারে না। আমরা প্রাথমিকভাবে এটা যেভাবেই হোক গ্রহণ করলাম। অথবা তৃতীয় বিকল্প: আমরা বলেছিলাম যে মসজিদের প্রকল্পের ম্যানুয়াল মসজিদটি তৈরি করতে পারেনি কারণ এটা একটি বই। একইভাবে, আমি বলব যে ডিএনএ কোনও মানুষ তৈরি করতে পারে না। কারণ ডিএনএ একটি বই, লেখক নয়। তাহলে আমি বলব যে ডিএনএ এমন ঘটনা ঘটাতে পারে না যা একজন মানুষ গঠন করে। ঠিক ম্যানুয়ালের মতো। অথবা চতুর্থ বিকল্প: আমরা বলব, হ্যাঁ, চতুর্থ বিকল্পে একজন স্থপতি আছেন। যিনি প্রতি মুহূর্তে মানুষকে তৈরি করছেন, শুরুতে যেমন তৈরি করেছিলেন, তেমনভাবেই তৈরি করে যাচ্ছেন। একজন জ্ঞানী সত্তা আছেন যিনি নির্বাচন করতে পারেন এবং তাঁর ইচ্ছা, ক্ষমতা এবং জীবন আছে। মিমার সিনান যেমন সেই মসজিদটি তৈরি করেছিলেন, ঠিক তেমনভাবেই মহাবিশ্বের স্রষ্টা মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং আমি বলব যে তিনিই সেই স্থপতি যিনি সব সময় তৈরি করে চলেছেন। তাহলে আমি আপনাকে আবার এটা জিজ্ঞাসা করব। আমরা যেমন স্থপতিকে গ্রহণ করি, একইভাবে আমাদের কি গ্রহণ করা উচিত নয় যে মহাবিশ্বের স্রষ্টা মানুষ সৃষ্টি করেছেন। যিনি শুধু আপনাকেই নয়, পৃথিবীর শুরু থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি মানুষ সৃষ্টি করেছেন। আমাদের কি মানুষের ক্রমাগত সৃষ্টি, প্রোগ্রামিং এবং সতেজতার স্থপতিকে গ্রহণ করা উচিত নয়?

- প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি এই ঘটনাগুলো একটি বিশেষ কাকতালীয় কারণে ঘটে। আমি মনে করি যে কাকতালীয় ঘটনার একটি শৃঙ্খল মানুষকে তৈরি করেছে। তাই আমি এই ধারণার সাথে একমত নই যে মানুষের অবশ্যই একজন স্রষ্টা আছে। প্রতি সেকেন্ডে 5 জন, দিনে 350,000 মানুষ, মানুষকে একপাশে রেখে, সমস্ত জীবিত প্রাণী, হয়তো প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ জীব সৃষ্টি হয়। আমি জিজ্ঞাসা করছি আপনি এই নির্মাণ ক্ষমতা কার উপর আরোপ করেন, যা ক্রমাগত চলছে? কোন সত্তা এটা করছে? সবসময়...

- আমার ডিএনএ সেটা করে। কিন্তু দেখুন, আমরা প্রথম উদাহরণে বলেছিলাম, ম্যানুয়ালটি বিল্ডিং তৈরি করতে পারে না। আমরা বলেছিলাম যে একজন স্থপতি পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবনটি তৈরি করবেন। একইভাবে, ডিএনএ নির্মাণ করতে পারে না। আমাদের অবশ্যই বলতে হবে যে একজন স্থপতি ডিএনএ বই অনুসারে মানুষকে সাজায় এবং তৈরি করে। আপনিও প্রথমেই এটা মেনে নেননি। - হ্যাঁ, ডিএনএ এটা করে না, ডিএনএ মানুষ তৈরি করে না। আমাদের প্রতিটি কোষে, আমাদের মূলে ডিএনএ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, হৃদযন্ত্রের পেশী কোষের ডিএনএ এটাকে একটি নির্দিষ্ট উপায়ে স্পন্দন করতে বলে এবং এটা করে। এর প্রমাণ কী, প্রমাণ কী যে এটা নির্দেশ দেয়?

কারণ ডিএনএ হল বই। নিজের মধ্যে নির্দেশ দেওয়ার কোনও ক্ষমতা নেই। ডিএনএ কেবল তথ্য দিয়ে বোঝাই একটি সিস্টেম। আপনি হয়তো জীববিজ্ঞানের ক্লাসে এটা শিখেছেন। - কিন্তু তারপরেও, আমাদের সেল এটা গ্রহণ করে এবং এটা ব্যবহার করে। না, ব্যবহার করছে না। কে এটা ব্যবহার করাচ্ছে? There is a formation process. এখানে একটি গঠন প্রক্রিয়া রয়েছে 164 00:07:47,800 --> 00:07:48,695 কিন্তু কে করছে এসব? I'm asking you about the one with this characteristic. আমি আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি এই বৈশিষ্টসহ একজনের বিষয়ে । আপনি বলেছিলেন এটা ডিএনএ না। তাহলে কে? - ঠিক আছে, ধরা যাক আমরা মোটামুটি একই চিন্তা করছি। এইভাবে একই চিন্তা করার জন্য কি আমাদের কোনও স্রষ্টার প্রয়োজন আছে?

আমি বুঝাতে চাচ্ছি। একজন স্রষ্টাকে এটা পুনর্বিকশিত করতে হবে না। আপনি এই বৈশিষ্ট্যটি উত্তর না দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন না। আপনাকে বলতে হবে: "হ্যাঁ ঠিক আছে। যদি ডিএনএ না পারে, তাহলে কে?" আমি বলি ঠিক আছে চলুন এটা নিয়ে কথা বলি। আমি ইতিমধ্যে আপনাকে বৈশিষ্ট্যগুলো জানিয়েছি। আমরা বলতে পারব না যে আমরা জানিনা। আগে এটা সমাধান করা যাক। আমরা বলব যে এই গুণাবলী সহ কেউ একজন আছেন। জ্ঞান ছাড়া কেউ এটা করতে পারে না। তাদের অবশ্যই জ্ঞান থাকতে হবে। যাদের ইচ্ছা নেই এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, তারা স্পষ্টতই এটা করতে পারে না। এর শক্তি থাকতে হবে। অন্য কথায়, এর শক্তি অবশ্যই অবিচ্ছিন্ন হতে হবে এবং এর অবশ্যই একটি জীবন থাকতে হবে। কারণ, আমরা বলব যে একটি নিষ্প্রাণ বস্তু এই প্রক্রিয়াটি করতে পারে না। আর এই গুণাবলী, এই বৈশিষ্ট্য ছাড়া কেউ মানুষ তৈরি করতে পারে না। আর দেখুন, আমি শুধু একজন মানুষের উদাহরণ দিচ্ছি। আমি বলি যে মানুষ একাই তৈরি হতে পারে না এবং এভাবে চলতে পারে না। কারণ এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কাউকে অবশ্যই থাকতে হবে। আমি প্রকৃতির কথা ভাবছি। এটা কি নিষ্প্রাণ?

হ্যাঁ এটা নিষ্প্রাণ। এর কি জ্ঞান আছে? না। এটা অন্ধ, বধির এবং নির্বোধ। প্রথম উদাহরণটি আবারও মনে করুন। আমরা বলেছিলাম যে এটা মসজিদ তৈরি করতে পারে না। আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই যে এই ঘটনার জন্য কে দায়ী, যেই ঘটনার মুখোমুখি হই প্রতিদিন?

যদি এটা ডিএনএ না হয়, তবে এর উত্তরও জানতে হবে। কোন একজন সত্তা অবশ্যই আছেন। আপনি বলতে পারেন আসুন এই মুহুর্তের জন্য এটাকে "এক্স" হিসাবে ধরি। আসুন একটি প্রশ্নচিহ্ন রাখা যাক। কিন্তু চারটি বৈশিষ্ট্যযুক্তএকজন ব্যক্তি থাকতে হবে, একটি সত্তা থাকতে হবে যিনি বিদ্যমান। আমরা বলেছিলাম যে চারটি বিকল্পের মধ্যে তিনটি অসম্ভব। আমরা একসাথে এই সিদ্ধান্তে এসেছিলাম। কেবল মাত্র একটি বিকল্প অপরিহার্যভাবে রয়ে গেছে। - ঠিক আছে, এটা স্বীকার করা যাক। ধরা যাক মানুষকে তৈরি করতে হবে। ঠিক আছে, এটা কি সেই ঈশ্বরই হতে হবে যেমন মুসলমানরা বর্ণনা করে? উদাহরণস্বরূপ, শিশুরা। একটি শিশু মারা গেলে সেই শিশুর কী হবে?

সে নিষ্পাপ। সে জান্নাতে যায়। - তাহলে, একটা নিষ্পাপ শিশুর জান্নাতে যাওয়া, এবং আমার পরীক্ষায় কোন কাগজ না থাকার জন্য আমার শিক্ষকের আমাকে এ গ্রড দেওয়ার মধ্যে পার্থক্য কোথায়? যাই হোক না কেন আমাদেরকে পরীক্ষাটি সম্পন্ন করতে হবে। আমরা হয় পাস করব নাহয় ফেল করব। সুতরাং, একজন প্রার্থী পরীক্ষার কক্ষে আসে এবং বলে: "আপনার জন্য কোন পরীক্ষার কাগজ বাকি নেই। আপনার পরীক্ষা শেষ।" এবং তারা সরাসরি পাস.করে গেল। আপনি কি মনে করেন এটা ঠিক? ন্যায়বিচার কী? আমাদের প্রথমে এই বিষয়ে কথা বলা দরকার। কারণ ন্যায়বিচারের বিষয়ে কথা বলার জন্য আমাদের বিনিময়ে কিছু জানাতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি একটি ফোন কিনতে গিয়েছিলেন। ঠিক আছে?

আপনি একটি দোকান থেকে একটি ফোন কিনেছেন। যদি ফোনটি ভেঙে যায় তবে আপনি ভোক্তা অধিকারের কাছে যেতে পারেন, অথবা আদালত কারণ আপনি এর জন্য অর্থ দিয়েছেন। ঠিক? - হ্যাঁ। কেন? কারণ আপনি বিনিময়ে কিছু দিয়েছেন। কিন্তু ধরা যাক একজন লোক এখানে এসে দেখল যে আমরা গল্প করছি। তিনি বললেন "আপনার কি সুন্দর কথোপকথন করছেন।" তারপর তিনি আপনাকে উপহার হিসাবে 2 টি গাড়ি দিলেন। তারপরে তিনি আমাকে 5 টি ভিলা দিলেন। আপনি কি বলতে পারেন "আরে ভাই, কী ব্যাপার?" "আপনি আমাকে 2টি গাড়ি দিলেন কিন্তু তাকে 5 টি ভিলা দিলেন কেন। এটা ঠিক না। আমি আদালতে গিয়ে অভিযোগ করব।" বিচারক আপনাকে কী বলবেন?

এইভাবে, মানুষও কোনও কোনও সময়ে আপত্তি করতে পারে না। কারণ মানুষ বিনিময়ে কিছুই দেয়নি। কিন্তু মানুষ পৃথিবীতে উপহার হিসাবে প্রাপ্ত আশীর্বাদের কারণে সুখী থাকতে এবং অবশেষে জান্নাতে যেতে বাধ্য হয়েছে। তাহলে আমরা বলব যেহেতু আমি বিনিময়ে কিছু দেইনি, ন্যায়বিচারের ধারণা এখানে প্রযোজ্য নয়। আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন: "তাহলে সে জান্নাতে যাচ্ছে কেন? আমি ঝুঁকিতে আছি।" আমি আপনাকে বলছি ভাই, আপনার কোটটি খুলে উল্টা করে পরে নেন। আর আমি যদি বলি, "আপনি এই কোটের রঙ পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন" আপনি কি এটা গ্রহণ করবেন, এটা কি অর্থবহ হবে? - না। কেন?

কারণ কোটটি আপনার; মালিকের অধিকার আছে যা তিনি চান। মালিকের সম্পত্তিতে তার ইচ্ছামতো অধিকার রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, তিনি সরাসরি পৃথিবীতে একটি গাছ সৃষ্টি করতে পারেন বা সরাসরি জান্নাতে সেটা রোপণ করতে পারেন। আমরা কীভাবে আপত্তি করতে পারি? না। কেন না? এখানে একটা গোলাপ আছে, তিনি সেখানেও একটা গোলাপ লাগাতে পারে। ঠিক শিশুটির মতো... উদাহরণস্বরূপ, একটি কচি গোলাপের কথা ভাবুন। তিনি শিশুটিকে সরাসরি এখানে আনতে পারেন, এবং এটা মানুষকে দেখানোর পরে এবং এটাকে খুশি করার পরে তিনি সেই গোলাপটি সরাসরি জান্নাতে নিয়ে যেতে পারেন। আমি এখানে আপত্তি করতে পারি না। কেন? কারণ এটা আমার বিষয় না। কারণ আল্লাহ আয়াতে বলেছেন... আমরা বলেছিলাম যে আমরা ইসলাম সম্পর্কে কথা বলব। আল্লাহ সূরা মরিয়মে বলেছেন: "...

এবং সে একাই আমাদের কাছে আসবে..." একা। সুতরাং, এককভাবে। অন্য কথায়, প্রত্যেককে পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনাকে যে বৈশিষ্ট্যই দেওয়া হোক না কেন, আল্লাহ আপনাকে সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করবেন। তিনি আমাকে যা দিয়েছেন সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন। একইভাবে, আমাদেরকে স্বতন্ত্রভাবে দেওয়া বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে আমাদের কাজগুলো আমাদের দায়ী করে তোলে। এবং শিশুটিও তাই। শিশুটি এখানে আসুক বা না আসুক, অথবা সরাসরি জান্নাতে যাক, এটা আমার ন্যায়বিচারকে প্রভাবিত করে না। আর আমরা বলি যে, আল্লাহ এককভাবে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি এককভাবে যা কিছু দিয়েছেন, তিনি সেটা ন্যায্যভাবে ফেরত চান। এর অর্থ হ'ল আমাদের এই ধারণাগুলোর মধ্যে এটা মূল্যায়ন করা উচিত এবং এইভাবে ন্যায়বিচারের ধারণা সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত। ধরা যাক ইসলামের কোন বিষয় আমাদের কাছে যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হল না। কোন কিছু আমাদের জন্য যুক্তিসঙ্গত নয় বিষয়টা এটা প্রমাণ করতে পারে না যে সেটা ভুল। কেন?

ধরা যাক আমরা বিজয়ী মেহমেদের যুগে বাস করি, ঠিক আছে? বিজয়ী মেহমেদের শাসনামলে সর্বত্র তুঘরা ছিল। অটোম্যান স্বাক্ষর। এবং তিনি একটি আদেশ জারি করে বললেন: "5 বছর কেউ তাদের বাড়ি থেকে বের হবে না।" এটা কি অর্থবহ? - না। এর কোন মানে নেই। আমি কি অযৌক্তিক হয়ে বলতে পারি; "কোন বিজয়ী মেহমেদ নেই।" আমরা কি এমন সিদ্ধান্তে আসতে পারি? - না, আমরা পারি না। আমরা পারি না। আমি কি দ্বিতীয় উদাহরণের জন্য বলতে পারি; সর্বত্র অটোম্যান তুঘরারা রয়েছে, এটা আমার কাছে একটি অযৌক্তিক নিয়ম বলে মনে হচ্ছে। তাহলে, আমি কি বলতে পারি যে কোন অটোম্যান রাজত্ব নেই? আমি পারি না। কেন? সর্বত্র তুঘরারা রয়েছে। এটা আমাদের জিজ্ঞাসা করতে বাধ্য করবে; বিজয়ী মেহমেদ কেন এমন কাজ করেছিলেন? কেন তিনি তাঁর রাজত্বকালে এমন নিয়ম এনেছিলেন?

আমরা এটা নিয়ে প্রশ্ন করতাম। এই উদাহরণের মতই, আল্লাহ ইসলামের সাথে সাথে নিয়ম কানুন দিয়েছেন। আপনি যদি বলেন: "ইসলামের এই উদাহরণ আমার কাছে কোন অর্থ বহন করে না।" সেক্ষেত্রে 'যদি এমন নিয়ম থাকে, তাহলে ঈশ্বর নেই' - এমন একটা সিদ্ধান্তে আসা যাবে না। আমি যদি আল্লাহর দেওয়া কোন নিয়ম পছন্দ না করি তাহলে তা ইসলামের ভুলের প্রমাণ হবেনা, যা ইসলামের নিয়মের সেট। কেন?

কারণ সর্বত্র তুঘরারা রয়েছে। যেমন, সূরা রুমের একটি আয়াত আছে যা ভবিষ্যতের কথা বলে। এতে বলা হয়েছে: গ্রীক এবং ফার্সিদের মধ্যে যুদ্ধ হয়। এবং গ্রীকরা নিশ্চিতভাবে পরাজিত হয়। যদিও সবাই মনে করে যে তারা হেরে যাবে, গ্রীকরা পরে ফার্সিদের পরাজিত করে বিজয়ী হয়। এটা এমন একটি আয়াত যা ভবিষ্যতের কথা বলে, সেই ঘটনা সম্পর্কে যা এর ঠিক 9 বছর পরে ঘটবে। এবং আমি বলব যে এটা আমার জন্য একটা তুঘরা। একজন মানুষ কীভাবে ভবিষ্যতের কথা বলতে পারে? এর অর্থ এই যে, আমার কাছে যে নিয়মগুলো অযৌক্তিক বলে মনে হয় তা ইসলামের ভুলের প্রমাণ না, এমনকি সেগুলা আল্লাহর ভুলের প্রমাণও হতে পারে না। ঠিক আছে তাহলে, ভিতর থেকে দরজা খোলাটা কি আরও যৌক্তিক হবে না ইসলাম গ্রহণ করে ইসলামের মধ্য থেকেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন?" - আমি বলতে চাচ্ছি...

আমি মনে করি এগুলা বিবেচনা করার মতো বিষয়। এটা মানুষের বুদ্ধি দিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো কিছু না। আপনি বলছেন আপনি এগুলা সম্পর্কে ভাববেন। - হ্যাঁ, আমি সবসময় ধর্মীয় বিষয় নিয়ে ভেবেছি এবং আমি ভাবতে থাকব। আপনি যে কাজটি করছেন তা আমার চিন্তাভাবনাকে স্থানান্তরিত এবং বৈচিত্র্যময় করেছে। এটা আমাকে অন্য দিকে চালিত করেছে। আমি ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে এটা নিয়ে চিন্তা করব এবং বিশ্লেষণ করব। এটা আমাকে খুশি করেছে।
