# এবার আমরা নাস্তিক ও একেশ্বরবাদীদের জিজ্ঞাসা করলাম! - কেউ উত্তর দিতে পারলো না!

- Language: bn
- Published: 2026-08-26
- Canonical: https://blog.towardseternity.com/bn/blog/this-time-we-asked-atheists-and-deists-no-one-could-answer
- Source video: https://www.youtube.com/watch?v=nboidZWsfBk
- Channel: Towards Eternity

This is the cleaned transcript of the source video. The speech is unaltered.

---

+ একজন নাস্তিক হিসেবে কিভাবে আপনি সুখী হবেন যেখানে আপনি বিশ্বাস করেন যে আপনার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে? -- আমি জানি না কী ঘটবে আর, আপনাকে সত্যিটাই বলি, এ নিয়ে আমার আসলেই কিছু আসে যায় না। এসব আমার মতামত। + আপনি আপনার মা বা ভাইবোনকে কিভাবে সত্যিই ভালোবাসতে পারবেন + যেখানে আপনি বিশ্বাসই করেন যে আপনার অস্তিত্ব থাকবেনা, বিলীন হয়ে যাবে? - যেভাবেই হোক আমরা মারা যাব, ভাই। মৃত্যুর পর কী ঘটবে তা আমাকে বিচলিত করে না। + এখনো, আপনার কি কোনো দৃঢ় প্রশ্ন নেই? + একটি উত্তর খুঁজে বের করার সংকল্প? - আমার মনে না হয় না আপনি আসলেই এর উত্তর দিতে পারবেন। +ইসলাম এর জন্য আমাদের একটি সূত্র দিয়েছে। ইসলাম বলে মূলত... +আপনি কী করেন? আপনি কি শিক্ষার্থী বা আপনি কি কোথাও কাজ করেন?

- আমি একটি প্রাইভেট কোম্পানির আঞ্চলিক ম্যানেজার। +আপনার বিশ্বাস কী? আমি নিজেকে একজন একেশ্বরবাদী মনে করি। - আমি একজন শিক্ষার্থী। আমি মেডিসিন নিয়ে পড়ালেখা করছি। আমি নাস্তিকতা আর একেশ্বরবাদের মাঝামাঝি কোথাও আছি, সম্ভবত একেশ্বরবাদের দিকেই আছি। + মানে আপনি বিশ্বাস করেন যে একজন স্রষ্টা আছেন? - হ্যাঁ, আমি অবশ্যই বিশ্বাস করি একজন স্রষ্টা আছেন। তবে, শূণ্য থেকে কিছু আসেনা। এটা আসতে পারেনা। + আপনি কি বিশ্বাস করেন যে পরকাল আছে? - আমি ভেবে দেখিনি - আমি একজন সঙ্গীতশিল্পী। আমি একজন স্রষ্টায় বিশ্বাস করি, কিন্তু তাঁকে কি নামে ডাকব জানি না। - আমি একজন ব্যবসায়ী। কিন্তু সেই সাথে আমি একজন সঙ্গীতশিল্পী। + আচ্ছা, তাহলে আপনার বিশ্বাস কী?

- আমি নিজেকে একেশ্বরবাদী বলি, আমার মতে স্রষ্টা আছেন। হ্যাঁ, স্রষ্টা আছেন, কিন্তু আমি ধর্ম মানি না। + আপনি কি পরকালে বিশ্বাস করেন, বা আপনি কি মনে করেন এমন কিছুই নেই? - আমি আসলেই জানি না আমাদের মৃত্যুর পর কি ঘটবে। আপনাকে সত্যিটাই বলি, এ নিয়ে আমার আসলেই কিছু আসে যায় না। এসব আমার মতামত। - আমি এখন আমেরিকায় থাকি। পাঁচ বছর ধরে সেখানে আছি। + আপনার বিশ্বাস কী?

- আমি নাস্তিক, তাই আমার কোনোকিছুর প্রতিই কোনো বিশ্বাস নেই। আমার যতদূর মনে পড়ে, আমি কখনোই কোনোকিছুতে বিশ্বাস করিনি। আমি একটি মুসলিম পরিবারে বড় হয়েছি, আমার কেয়ারগিভাররা মুসলিম ছিলেন। তারা বলত, ''বাড়ি থেকে বেরুনোর সময় আগে ডান পা ফেলো।'' ''বের হবার সময় বিসমিল্লাহ বল।'' এমন পরিবেশে বড় হবার পরও, আমি নাস্তিক হয়েছি। + সাধারণত মুসলিমদেরই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয়। তাই আমরা ঠিক করেছি আমাদের নাস্তিক ও একেশ্বরবাদী বন্ধুদের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করব। আমাদের দুইটি প্রশ্ন আছে। প্রথম প্রশ্ন হলো: একজন নাস্তিক হিসেবে, আপনি বিশ্বাস করেন যে মৃত্যুর পর আপনার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না, তাহলে আপনার জীবনের উদ্দেশ্য কী? - ধরুন আজ আমি মারা গেলে মানুষ কি আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলবে নাকি ভালো কিছু বলবে?

তারা ভালো কিছু বলার মানে, আমি মৃত্যুর পরও বেঁচে থাকব। + কিন্তু যদি আমি মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বিলীনই হয়ে যাই তখন তারা আমার প্রশংসা করলে এমন কিইবা ভালো হবে? এর চেয়ে বেশি কিছুই কি নেই? আরো বড় কোনো উদ্দেশ্য থাকা কি উচিত নয়?

- আমি বলবো নিজের সুনাম তৈরি করে যাওয়াই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় না এর চেয়ে বেশি কিছু ভাবার দরকার আছে। - জীবনের উদ্দেশ্য হলো একজন ভালো মানুষ হওয়া। সুনাম রেখে যাওয়া, সেই সাথে যাদের ছেড়ে যাচ্ছি তাদের জন্য ভালো কিছু করে যাওয়া। আমি আমার কমিউনিটিতেও একজন ভালো মানুষ হতে চেষ্টা করি, তাই এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। - আমার জীবনের উদ্দেশ্য হলো ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা আর ভালো মানুষ হিসেবে মৃত্যুবরণ করা। আমি চাই আমি যাদের ছেড়ে যাব তারা বলবে, ''সে ভালো লোক ছিল। সে দাতব্য কাজে সম্পদ ব্যয় করেছে।'' এক কথায়, একটি ভালো জীবনযাপনই উদ্দেশ্য। + ধরুন আপনি সত্যিই মানুষের মনে দাগ কেটে গেলেন। যদি আপনি মারা যান আর আপনার ছেড়ে যাওয়া মানুষরাও মরণশীল হয়, তাহলে সেটা কি কোনো না কোনোভাবে আপনার উদ্দেশ্য বিফল করে না?

- আমার মতে আপনি এর চেয়ে বেশি কিছু করতে পারবেন না। - আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে আর নিজেকে উন্নত করতে হবে... - এখানেই থাকা। এটাই আঠার মতো আটকে রেখেছে আর এখানেই থাকতে চাই। যেমন, প্রথম মঞ্চের স্বাদ পাবার পর, আমি এতটাই আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিলাম যে, সেই মায়া আর হারাতে চাইনি। আমার কাছে, এটাই জীবনের অর্থ। ভালোবাসা দিয়ে, ভালোবাসা পেয়ে, সুখী হওয়া। আরো মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া, তাদেরকে জানা, আরো সক্রিয় হওয়া... আমার মূল্য উদ্দেশ্য হলো আমার পছন্দের সঙ্গীত বারবার তৈরি করা, কিন্তু যে উদ্দেশ্যকে সবচেয়ে প্রাধান্য দিব, আমি আমার জীবনের শেষ সময়ে আরেক বার মঞ্চে দাঁড়াতে চাই। +ভাই, এবার আপনার কাছে দ্বিতীয় প্রশ্ন: আপনার জীবনে সুখের উৎস কী? কী আপনাকে সুখী করে?

- আমার চারপাশের মানুষদের সুখী করতে পারলে আমিও সুখী হই। - প্রথম জিনিস হলো একটা নির্ঝঞ্ঝাট জীবন পাওয়া। দ্বিতীয়টি হলো অবসরে ঘুরে বেড়ানো, মানুষের সাথে শেয়ার করা আর গল্প করা। যেমন, আমি একা থাকতে ভয় পাই। এমন না যে আমি একা থাকতে পছন্দ করি না, কিন্তু যখন আমার চারপাশে মানুষ থাকে, আমি তাদের সাথে কথা বলতে পারি, শেয়ার করতে পারি তখন আমি সুখী হই। আসলে আমার কাছে এর মানেই সুখ। - সঙ্গীত কেননা এটি আমাকে নিজেকে প্রকাশ করা আর নিজেকে জানার সুযোগ দেয়। এটি আমার সুখের উৎসগুলোর মধ্যে অন্যতম। - অনেক অনাথ মানুষ আর প্রাণী রাস্তায় থাকে, তাই আমি তাদের যতটা সম্ভব সাহায্য করতে চেষ্টা করি - যেমনটা বলেছিলাম, মঞ্চে মৃত্যুবরণ করা...

ভাই, আমার মৃত্যুর পর অন্তত একটা মানুষও যদি আমার রেকর্ড শোনে ক্যাসেট, স্পটিফাই রেকর্ডিং বা অন্য যেকোনো সঙ্গীত মাধ্যমে, সেটাই আমাকে আনন্দ দিবে, আশা করি মৃত্যুর পর আমার সাথে এমন কিছু ঘটবে। মনে হয় মৃত্যুর পর জীবন আছে, আমি নিশ্চিত নই। + চলুন একটা উদাহরণ দেখি আর উত্তরটা আবার ভেবে দেখি। - হ্যাঁ, অবশ্যই। + মনে করুন আপনি, আপনার পরিবার, আর আপনার সব প্রিয়জন সাগরের মাঝখানে একটা বিশাল জাহাজে আছেন একটা পর্যায়ে হঠাৎ: জাহাজটা ডুবে যাচ্ছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে, সবাই যখন কোনো সমাধান পেতে চারদিকে ছোটাছুটি করছে তখন আপনার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য কী হবে?

এটা হবে কোনো উপায় খুঁজে বের করা। যেমন, আমরা হয়তো কোনো নৌকা খুঁজব বা এমন কাউকে খুঁজব যে আমাদের সেখান থেকে উদ্ধার করতে পারে। অন্য সব উদ্দেশ্যই এর কাছে ছোট হয়ে যাবে। যদি কেউ ঘোষণা দেয়, ''আমার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো জাহাজের খাম্বায় অন্য কোনো রঙ করা'', বা ''আমার উদ্দেশ্য হলো এই দৃশ্য উপভোগ করা'' এগুলোর কোনোটাই যুক্তিসংগত প্রতিক্রিয়া হবে না। হ্যাঁ, ঠিক। + দ্বিতীয়ত, জাহাজ ডুবতে বসলে একজনের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত সুখ হবে নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে বাঁচানো জাহাজ ডুবতে বসলে, সুখ লাভ করতে জাহাজের আর সবার মতোই আমার নিজেকে বাঁচানোর একটা উপায় খুঁজে বের করতে হবে, তখন যদি কেউ এসে আমাকে একটা সিনেমার টিকেট দিতে চায়, আমি নিশ্চয়ই বলব না, ''আরে!

এটাতো আমার পছন্দের মুভি'' আর নিশ্চয়ই এটা ভাববো না যে আমি সুখে থাকার সূত্র পেয়ে গেছি। - অবশ্যই না + কারণ আমরা একটি অত্যন্ত গুরুতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। আমাদের এই মুহূর্তে এই নির্দিষ্ট সমস্যাটি সমাধান করতে হবে, এরপর আমরা অন্য সবকিছু নিয়ে ভাবব। তা না হলে, আমি প্রকৃত সুখ খুঁজে পাব না, আমি নিজেই নিজেকে ঠকাব। আমি এটা বোঝাতে চাইছি যে আমাদের পৃথিবীটাও একটা জাহাজের মতো যা এই মহাবিশ্বে ভেসে বেড়াচ্ছে, আমাদের পৃথিবীর কথা ভাবলেই, আমরা বুঝতে পারি যে এটিও ধীরে ধীরে উদাহরণের জাহাজের মতো ডুবে যাবে। এবং এটি ডুবে যাচ্ছে। এটি ঘটা কোনো ব্যাপারই না, হয়তো আজ, আগামীকাল, বা আজ থেকে ৬০ বছর পর। আমরা এবং আমাদের সব প্রিয়জনরা এই জাহাজে আছে, আর এটি ডুবে যাবে। আমাদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য কি এমন কিছু খুঁজে বের করা নয়: 1.

মৃত্যুর পরে কি কোনো জীবন আছে? 2. মৃত্যু সমান কি অস্তিত্বহীন? 3. জাহাজ ডুবে গেলে কি আমরা ডুবে মরবো, সবাইকে হারাবো?

''আমি কি এমন কোনো স্থানে যাচ্ছি যেখানে গেলে আমি নিজেকে আর আমার প্রিয় সবকিছুকেই হারিয়ে ফেলব?'' আমাদের এটা খুঁজে বের করা দরকার। এটাই একজন ব্যক্তির সবচেয়ে বড় চিন্তা হওয়া উচিত। দ্বিতীয় পয়েন্টের জন্য এটাই আমাদের উদ্দেশ্য যেটা হলো সুখে থাকার সূত্র খুঁজে বের করা। দুইটিই পরস্পর সম্পর্কিত। কেননা যদি আপনি, আপনার পরিবার, ও আপনার প্রিয়জনরা মৃত্যুর পর কী ঘটবে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে না পারেন, ধরুন যদি আপনি এটা খতিয়ে দেখেন, ঠিক নৌকার মতো, মৃত্যুকে অস্তিত্বহীনতা হিসেবে ধরে নিলে আপনার কাছে সবচেয়ে বড় উপায় হবে এটি থেকে কিভাবে বাঁচা যায় তা খুঁজে বের করা। তা না হলে, অন্য কিছুই আপনাকে সুখ এনে দিতে পারবে না। যেমন, আপনি বলেছেন, ''মানুষের কাছে ভালো হওয়া'' জাহাজে থাকা মানুষদের জন্য ভালো কিছু করা একটা ভালো কাজ হতে পারে, এ নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই, কিন্তু এটি সুখের প্রকৃত উৎস হতে পারে না। যদি আমি বিশ্বাস করি জাহাজটা ডুবে যাবে আর আমি তাদের বাঁচাতে পারব, তখনই আমি প্রকৃত সুখী হব। আমার মতে মানুষকে এই ধারণা থেকে সাহায্য করা সুখের একটি বিশাল উৎস হতে পারে। কেননা, আমি জাহাজের মানুষদের সুখী করতেই পারি, কিন্তু জাহাজটাতো ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে আর সেক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুখ হবে তাদেরকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে উদ্ধার করা -হুম, হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন। -আমরা মৃত্যুর কাছ থেকে পালাতে পারব না মৃত্যু সবসময়ই আছে। যাইহোক আমাদের মরতেই হবে, ভাই। আমি জানিনা এরপর কী আছে, আর জানিনা বলেই, আমি বলি: সামনে কী আছে তা আমাকে উদ্বিগ্ন করে না। আমি সেটা মৃত্যুর পর দেখতে পাব। +এখনো, আপনার কাছে কি কোনো স্থায়ী প্রশ্ন নেই?

যেমন ''আমাকে এটা সমাধান করতে হবে”। মৃত্যুর পরও কি জীবন আছে, আর আমি কি আমার পরিবার ও বন্ধুদের পরকালে দেখতে পাব?

- আমার মনে হয় না আপনি এটা পুরোপুরি সমাধান করতে পারবেন। + ইসলাম এই সমস্যার জন্য আমাদের একটি সূত্র এবং একটি সমাধান দিয়েছে। এর ভিত্তিতে ইসলাম বলে: ''মানুষের অনেক চাহিদা। কেবল বেঁচে থাকার জন্য সে শত শত জিনিস চায়। এবং, এই চাহিদাগুলোর অন্তত একটি পূরণ করতে পারার জন্য অবশ্যই একজন সত্তা আছেন যিনি তার চাহিদাগুলো দেখতে পান এবং শুনতে পান যেমন, মাটির দিকে তাকালে, আমরা দেখব এটি প্রাণহীন, অচেতন, ক্ষমতাহীন, এবং শুষ্ক। এরপরও, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এটি কয়েক শ হাজার ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সবজি ও ফল উৎপাদন করছে। অর্থাৎ নিশ্চয়ই একজন সত্তা আছেন যিনি মাটির আড়ালে থেকে আমাদের চাহিদা পূরণ করেন। তিনি আমাদের দেখতে পান এবং আমাদের দয়া করেন। তিনি আমাদের জানেন। তাঁর জ্ঞান আছে। ইসলাম বলে: ''এটি অবশ্যই তিনি যিনি আমাদের জন্য এই ফসল সৃষ্টি করেছেন। আমাদের স্বাদ গ্রন্থির চাহিদা মেটাতে যদি তিনি আমাদের সামনে হাজার রকমের খাবার হাজির করতে পারেন, তাঁর মানে, তিনি আমাদের অনন্ত জীবনের চাহিদা, মৃত্যুর পরের জীবনের চাহিদাও মেটাতে পারেন।'' তিনি যদি মানুষের অতি সামান্য চাহিদাও পূরণ করতে পারেন, তাহলে তিনি মানুষের সবচেয়ে বড় চাহিদা, অনন্ত জীবনের আকাঙ্ক্ষা কেন পূরণ করবেন না?

এটি কি সম্ভব তিনি ছোট্ট ভ্রমরের গুঞ্জন শুনতে পাচ্ছেন অথচ বজ্রপাতের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন না? অনন্ত জগতে আমাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে থাকার চাহিদাও পূরণ হবে। এটি বলে, ''স্বর্গ ও পরকাল আসলেই বিদ্যমান।'' এই দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ উদ্দেশ্য, এবং একটি সমাধান দেয় যা বিশাল সুখ নিয়ে আসে। - ঠিক আছে, এসবই খুব ভালো কথা। - ঠিক আছে এর বিরুদ্ধে আমার কিছুই বলার নেই। দেখুন, আমি বলছি যে আমি নিশ্চিত নই, আমি জানি না। এমনকি আমি পরোয়া করিনা। + এটা কি সম্ভব যে মৃত্যু মাত্র এক পা দূরে থাকতে পারে?

- অবশ্যই। এটা সম্পূর্ণ সত্য। + তাহলে হয়তো আপনার এই মুহুর্তের পরে একেবারে শেষ পর্যন্ত যাওয়া উচিত। আপনি যদি বলেন, ''আমি বিলীন হয়ে যাব''। তাহলে কিভাবে একজন ব্যক্তি সত্যিই তার মা, ভাইবোন বা সম্ভাব্য সঙ্গীকে ভালবাসতে পারেন? কারণ তারা যদি বিলীন হয়ে যায়, তাহলে এই ভালবাসা কি আপনাকে কষ্ট দেবে না? - আমরা সবাই মরণশীল। আমরা সবাই জানি সকলে মারা যাবে। আমি অস্তিত্বহীনতা নিয়ে ভাবছি না। সবচেয়ে ভালো কাজ হলো প্রতিটি মুহূর্ত পরিপূর্ণতার সাথে বেঁচে থাকা। আমি অন্য জগতের কথা ভাবি না, আমি আমার প্রিয়জনদের সাথে এই পৃথিবীতে সময় কাটাতে চাই, তাদেরকে জড়িয়ে রেখে এবং ভালোবেসে। - আমাদের দৈনন্দিন জীবনে, আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে পৌঁছানো কঠিন বলে মনে হয়। আমরা সুখ খুঁজে পাই না। আমি কি ভবিষ্যতে সুখী হবো?

আমি হবো কিন্তু মনে হচ্ছে আমি কখনই এতটা সুখী হব না যখন আমি কোনো কিছু সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। সুতরাং, আমি যতই চিন্তা করি না কেন অথবা এই বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করি না কেন, আমি একটি সম্পূর্ণ উত্তর খুঁজে পেতে সক্ষম হব না। এই কারণেই আমি জীবনের অর্থ বা এটি কীভাবে শেষ হবে তা নিয়ে চিন্তা না করে বর্তমানে বাস করার চেষ্টা করি। এ কারণেই আপনি যে জিনিসটি বলেছিলেন তা নিয়ে আমি চিন্তা করি না: "পর্বতের অন্য পাশ।" যদি আমাকে আজ অগ্রাধিকারের একটি তালিকা তৈরি করতে হয়, পাহাড়ের অন্য দিকের কথা চিন্তা করা এই তালিকায় দশমে থাকবে। + চমৎকার একটি আলাপ হলো। - আমারও তাই মনে হয়। আপনার বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। - আমিও আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। খুবই ভালো লাগলো। - আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। - দেখা হবে। + খুবই ভালো লাগলো।
