# অবিশ্বাসী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মুসলিম হয়ে গেল - রাস্তার ইন্টারভিউ

- Language: bn
- Published: 2026-08-26
- Canonical: https://blog.towardseternity.com/bn/blog/unbeliever-university-student-became-muslim-street-interview
- Source video: https://www.youtube.com/watch?v=LRy66gYkreo
- Channel: Towards Eternity

This is the cleaned transcript of the source video. The speech is unaltered.

---

- আমি নিজেকে অজ্ঞেয়বাদী মনে করি। - গত ৩-৪ বছর ধরে আমি নিজেকে একটি প্রশ্ন করে আসছি... - স্রষ্টা আছে কি নেই জানা সম্ভব নয়। + মানুষ সৃষ্টির পেছনে কি একজন শিল্পীর থাকার কথা নয়? - আমি তা মনে করি না। - যদি থাকে, তাহলে ইসলামই কেন? +১৪৩০ বছর আগের একটি বইতে কেন লৌহের উল্লেখ থাকবে। - তারা লৌহের উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করেছিলো। - তাহলে এটা যৌক্তিক হয়। + আপনার নাম কী? - উমুত +উমুত, আপনি কি করেন? + আপনাকে দেখে মনে হচ্ছে কলেজ থেকে বের হয়েছেন। - জ্বি, আমি টিকেট কিনতে বের হয়েছিলাম, এখন ফিরে যাচ্ছি। + আপনি কোন বিষয় নিয়ে পড়ছেন? - আমি জ্যামিতিক প্রকৌশল এর প্রথম বর্ষে পড়ছি। + বাহ বেশ। + আমি জানতে চাচ্ছি, আপনার বিশ্বাস কি নিয়ে?

- কেউ জানতে চাইলে বলি- আমি অজ্ঞেয়বাদী। + আপনি কতদিন পর্যন্ত নিজেকে অজ্ঞেয়বাদী বলছেন? - গত ২-৩ বছর ধরে। + আপনি কি ৩ বছর আগে অনিশ্চিত ছিলেন + যে স্রষ্টা আছেন কিনা? - আমার মনে হয়না আমরা এ নিয়ে জানতে পারবো, মানুষ হিসেবে এটা জানা অসম্ভব যে স্রষ্টা আছেন কিনা। + এটা আপনি ৩ বছর আগে অনুভব করেছেন। + তাহলে আপনি অজানার ওপর নির্ভর করেছিলেন... আপনি কি মুসলমান ছিলেন? - অনেকের মতই, জন্মসূত্রে। + যখন তথ্য আসে তখন সন্দেহ চলে যায়, তাইনা? + তাহলে আমরা যখন সত্য জানবো তখন অজ্ঞেয়বাদ এর সমাপ্তি ঘটবে। + উদাহরণস্বরূপ, আমি যদি জিজ্ঞেস করি, " ওই রাস্তায় কতোগুলো মানুষ আছে?" + আমরা জানি না। - আমরা জানি না... + আমরা সবাইকে গুনে ফেলার আগ পর্যন্ত তা দাবী করতে পারি...

+ সবাইকে গুনে ফেলার পর কি আমরা দাবী করতে পারবো যে জানি না? - না, তখন আর সন্দেহ থাকবে না। + সেটাই, তথ্য থাকলে একটা সিদ্ধান্তে আসা যায়। + হয় আপনি একটা ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা অন্য ব্যাপারে। + আমরা যদি স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রমাণ দেই +তারপর কি আপনার বিশ্বাসের পরিবর্তন হবে? + যদি আপনাকে বোঝাতে পারি? - আমি কেন অস্বীকার করবো?

+ এতে কোন লাভ নেই। + নিউটনের দারুণ একটি উক্তি আছে, তাঁকে সবাই বিজ্ঞানের জনক বলে। + তিনি বলেছেনঃ " সৃষ্টির মধ্যে স্রষ্টাকে খুঁজে পাওয়া যায়।" + এসময়ের গুরুত্বপূর্ন একজন আলেম- বেদিউজ্জামান সাইদ নূরসী বলেনঃ +" একটি সুনিপুণ শিল্পকর্মের জন্য একজন শিল্পীর প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য" + একই যুক্তিতে একটা সিদ্ধান্তে আসা যায়। + যেমন মানুষের "বাস্তবিক চোখ" এবং " মনের চোখ" দুটোই আছে। + "মনের চোখ" কী? + যখন চিন্তা ছাড়াই কেউ বাস্তব চোখে দেখে তারা দৃষ্টি ব্যাবহার করে। + কিন্তু মনের চোখ কী? + চোখ যা দেখে তা ব্যাবহার করে মনের চোখ সিদ্ধান্ত নেয়। + আপনি যদি সূর্যের দিকে তাকান... + এটা বড় মনে হয় নাকি ছোট?

- এটা ছোট মনে হয়। + কিন্তু মনের চোখে আপনি যখন দেখবেন - আমরা জ্ঞানের মাধ্যমে জানতে পারি এটা কতো বড়। + কোন বস্তু থেকে দর্শকের দূরত্ব যত বাড়ে বস্তুটি ততো ছোট দেখায়- এই জ্ঞানের কথা বলছি। + আর তখন আপনি বলবেন এটা বড়। + তাহলে চোখ ভুল করতে পারে কিন্তু মনের চোখ ভুল করে না। + উদাহরণস্বরূপ, আপনি কি মোনালিসা চিত্রকর্মের সাথে পরিচিত? - জ্বি। + এটা খুবই দামী, তাইনা? এটা অনেক বিখ্যাত, এর সম্পর্কে আপনি কী জানেন?

- এর ব্যাখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দেয়া যায়; এটা মানুষের চিন্তার ওপর নির্ভর করে। + ধীরে ধীরে এর নিত্য নতুন তথ্য আবিষ্কৃত হচ্ছে। + দা ভিঞ্চি নানা ধরণের রঙ এর স্তরের ব্যাবহার করেছেন। + সাধারন মানুষ তো দুটো রঙের গতিময় ত্রান্তিকে আলাদা করতে পারে না। + তারা রঙ চেনে না। + আমরা সুন্দর একটা মিশ্রণ দেখতে পাই। + লিওনার্দো দা ভিঞ্চির চার বছর সময় লেগেছিলো এই শিল্পকর্মটিকে নিখুঁত করতে। + মানুষ বলে, এটি অমূল্য। + চিত্রকর্মটিতে মোনালিসার অনুভূতি খেয়াল করেছেন কখনো?

- উনি সুখী নাকি দুঃখী তা বলা মুশকিল। + ধরুন আপনি একটা কর্মশালায় ঢুকলেন এবং সেখানে মোনালিসার চিত্রকর্মটি দেখলেন। + এটি একেবারে আপনার সামনে। + এবং আর কেউ আশে পাশে নেই। + আপনার চোখ বলবে, এখানে যেহেতু কেউ নেই, তাহলে নিজে নিজে এটি এসেছে। + আপনি দেখলেন চিত্রকর্মটিতে যে রঙ আছে সে রঙটা দেয়ালেও লেগে আছে। + আমার চোখ বলবে হয়তো বাতাসে সেই রঙ ছড়িয়েছে এবং চিত্রকর্মটি হয়ে গেছে। - এটা অতি প্রাকৃতিক মনে হচ্ছে। + এটা অযৌক্তিক হতো, তাইনা? + কিন্তু আপনার মনের চোখ কি বলবে? - এই চিত্রকর্ম কে সৃষ্টি করেছে?

+ অবশ্যই, যদি এতো নিখুঁতভাবে কেউ এই চিত্র এঁকে থাকে, যদি সেখানে নির্দেশ থাকে তবে সেখানে জ্ঞানের ছোঁয়া আছে। + তাহলে অবশ্যই সেখানে জ্ঞানী কেউ আছেন। + এখন আমি ওটা জিজ্ঞেস করতে চাই। + মোনালিসা বেশি শৈল্পিক নাকি লিওনার্দো দা ভিঞ্চি? - আমরা বলতে পারি দা ভিঞ্চি বেশি গুণী। + অবশ্যই, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার চেয়েও বেশি শৈল্পিক তিনি নিজে? + আপনি মানব শরীর সম্পর্কে জানেন? + মানব শরীরে প্রায় ৬০টি উপাদান আছে। + এই উপাদানগুলো খুবই নাজুক। + সামান্য পরিবর্তন হলেও অসুখ হয়,তাইনা?

- সত্যি তাই। + আয়রন এবং কপারের মতো নানা ধরণের উপাদান আছে শরীরে। + কপারের ঘাটতি হলে স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। + কারণ, কপার রক্তের ভারসাম্য রক্ষা করে। + আমি বলবো, এই উপাদানগুলোর সঠিক সমন্বয়ে এই অসাধারণ মানব শরীর সৃষ্টি হয়েছে, তাইনা? - জ্বি, একটি শিল্পকর্ম তৈরি হয়েছে। - কিন্তু যদি স্রষ্টার অস্তিত্ব থেকে থাকে... + আমি শেষ করার পর আপনি বলতে পারেন। + আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে দিন, তারপর আমাকে মাইক্রোফোন ফেরত দেবেন। + আমরা এই কথায় একমত হয়েছিলাম যে মোনালিসার চিত্রকর্ম নিজে নিজে আসা সম্ভব নয়। + সেখানে ৬০টিরও বেশি উপাদানের নিখুঁত সমন্বয়ে তৈরি মানব শরীর কিভাবে কাকতালীয় উপায়ে পৃথিবীতে আসবে? + এমন কি কোন সম্ভাবনা আছে যে স্রষ্টার অস্তিত্ব নেই?

+ আমরা বলেছিলাম মোনালিসাকে অবশ্যই কোন শিল্পী তৈরি করেছে। + তাহলে কি এমন কোন সম্ভাবনা আছে যে লিওনার্দো দা ভিঞ্চিকে কেউ তৈরি করেনি? - আমার তাই মনে হয়। - লিওনার্দো দা ভিঞ্চির হয়তো একজন স্রষ্টা আছে, কিন্তু আমরা সে ব্যাপারে নিশ্চিত নই। + কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারি- কোনটা হতে পারে আর কোনটা নয়। + যেমন আমরা বলেছিলাম "এমন যদি হয় যে বাতাসে রঙ ছড়িয়ে মোনালিসার চিত্রকর্মটি হয়েছে?" - এটা সম্ভব না। + তাহলে কেউ এটা তৈরি করেছে। + ধরে নিলাম ক এটা তৈরি করেছে। + ক অথবা খ। + কিন্তু, আমি এই স্রষ্টার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারি। + ১.

তাদের অবশ্যই জ্ঞান থাকতে হবে। + মোনালিসা যদি দক্ষতা ছাড়া আঁকা না যায় তাহলে কিভাবে দক্ষতা ছাড়া মানুষ সৃষ্টি সম্ভব। + তাছাড়া শুধু একজন মানুষ তো নয়। কোটি কোটি মানুষ। + কোটি কোটি শ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম। + তাহলে কি আমরা বলতে পারি তিনি জ্ঞানী, তা যেই হোন না কেন? + কোন স্রষ্টা থেকে থাকলে আমরা বলতে পারি যে- তিনি জ্ঞানী। + বিশেষণ কি বিশেষ্য ছাড়া ব্যাবহার করা যায়? + যেমন, " আমি যদি বলি " খুব চালাক।" + এটা উপেক্ষিত থেকে যাবে। + আপনাকে জিজ্ঞেস করতে হবে " কে খুব চালাক?" + আমি যদি বলি কেউ খুব চালাক। + আমি কাউকে ফজিলতের মালিকানা দিলাম, তাইনা? + এর উত্তর না দিয়ে আমরা যাব না। + আমরা যদি মেনে নেই যে "কেউ একজন" চালাক। + তাহলে আমরা স্রষ্টাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেনে নিলাম। + এটা কি স্বয়ংক্রিয় হবে না?

+ জ্বি, তাই হবে। + আর কোন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের দিকে খেয়াল করা যায়? + স্রষ্টা যদি জীবিত না থাকে তাহলে কি জীবনের সৃষ্টি হতো? - জ্বি না। + তাহলে আমাদের বলতে হবে, + সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১. জীবন + ২. জ্ঞান, যদি তিনি শৈল্পিক হন =৩. ইচ্ছা + ইচ্ছা কী? + অভিমত থাকা, তাইনা? + সৃষ্টি করবেন নাকি না তা নির্বাচন করা। + তাহলে আমরা দেখতে পাই উনার ইচ্ছাশক্তি আছে। + ৪. ক্ষমতা + ক্ষমতা কী? - সামর্থ্য, শক্তি। + জ্বি। + ধরুন, একজন পক্ষাঘাতগ্রস্ত কেউ কি শিল্পকর্ম করতে পারবে? - এটা খুব কঠিন হবে। + যদি তিনি নড়তে না পারেন, তিনি সৃষ্টি করতে পারবেন না। + তাহলে আমি বলবো, উনার ক্ষমতা, জীবন, ইচ্ছা এবং জ্ঞান আছে। + আমরা কি "ক" নামের সেই স্রষ্টার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলো পেলাম?

- জ্বি। + তাহলে আমরা বলবো + কেউ একজন আছে। + হতে পারে তিনি ক অথবা খ। - আচ্ছা আপাতত স্বীকার করে নিচ্ছি স্রষ্টার অস্তিত্ব আছে। - যদি কারো অস্তিত্ব থাকে, তবে ইসলাম কেন? + তাহলে এটা নিয়ে ভাবি। + এই উদাহরণটা দেখি চলুন। + সেখানে অবশ্যই একটা তথ্য সমৃদ্ধ বই থাকবে। + পুরাকির্তি সম্পর্কে। + কারণ তার জন্য যুক্তি, জ্ঞান এবং শিক্ষার প্রয়োজন আছে। + সেটাই স্বাভাবিক। + প্রশ্ন আসে + " বিশাল প্রদর্শনীর ছোট একটি অংশে তথ্যবই রাখলেও স্রষ্টা যদি না পাঠায় তাহলে তার কোন মানে হয় না।" - না, অবশ্যই না। + তাহলে বলা যায় + জ্বি, একজন নবী এসেছিলেন। + শেষ নবী এসেছিলেন। + শেষ নবী কি নিয়ে এসেছিলেন? + পবিত্র কুরআন, তাইনা?

+ আচ্ছা তাহলে আমি বলবো + যদি আমি প্রমাণ করি যে আল কুরআন মানুষের দ্বারা লেখা সম্ভব না অথবা এটি কেবল নাজিল হতে পারে, তাহলে কি আমি ইসলাম এর অস্তিত্ব প্রমাণ করলাম, তাইতো? - আপনি তা করলেন। + তাহলে ভাই আমাকে এই উদাহরণ দিতে দিন। + কুরআনে আল হাদিদ নামে একটি সূরা আছে। + আপনি কি আগে এ সম্পর্কে শুনেছেন?

+ আরবিতে হাদিদ মানে লৌহ। + সূরা আল-হাদিদের একটি অংশে উল্লেখ করা হয়েছেঃ + " আর আকাশ থেকে লৌহ নিচে পাঠিয়েছি।" + "নেজেলে" শব্দটি এসেছে "নুজুল" থেকে। + 'নুজুল' মানে নিচে পাঠানো। + অন্যান্য ক্ষেত্রেও এর উল্লেখ করা আছে; আপনি বৃষ্টি বা পবিত্র কুরআনের ক্ষেত্রেও নিচে নামার বা নাজিল শব্দটি খুঁজে পাবেন। + একই ভাবে "নিচে নামানো" শব্দটির ব্যাবহার লৌহের ক্ষেত্রে বলা আছে। + এরপর একটা বিষয় আমাদের মনযোগ আকর্ষণ করে। + ১৪৩০ বছর আগে যে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছিলো সেখানে কেন লৌহ আকাশ থেকে এসেছে বলা হয়েছিলো?

- তারা উত্তর খুঁজেছিল যে কিভাবে লৌহ এলো। + কিন্তু সাধারণত লৌহ মাটির ভেতরে খনিতে থাকে। + আয়াত এ উল্লেখিত "আকাশ থেকে এটা মাটিতে পাঠালাম" + বিজ্ঞানীরা মাত্র আবিষ্কার করেছেন যে লৌহ আকাশ থেকে এসেছে কারণ পৃথিবীতে লৌহ সৃষ্টির মতো কোন তাপ বা সৌরশক্তি নেই। + নোভা এবং সুপারনোভার মাঝে যে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেখান থেকেই + লৌহের উপাদান উল্কারুপে পৃথিবীতে নেমে এসেছে। + আমি এখন পরিষ্কারভাবে জানি যে লৌহ আকাশ থেকে এসেছে এবং বিজ্ঞান তা প্রমাণ করেছে। + তাহলে এখন জানতে চাইবো, এতো প্রাচীন একটা গ্রন্থে কিভাবে আকাশ থেকে লৌহ আসার তথ্যটি পাওয়া গেলো? + একজন মানুষের এই জ্ঞান থাকার সম্ভাবনা কতোটুকু? + কোন সম্ভাবনা আছে কি?

+ আমরা এই শতকে এসে মাত্রই তা আবিষ্কার করলাম। + তাহলে তো কোন সম্ভাবনাই নেই যে একজন মানুষ তা লিখেছিলো। +দেখা যাচ্ছে আমরা যাকে খুঁজছি তিনি আমাদের প্রিয় নবী এবং যে পবিত্র গ্রন্থটি খুঁজছি তা আল কুরআন। + আপনাকে আরো একটি উদাহরণ দিচ্ছি ভাই। + সূরা আয-যারিয়াত, আয়াত ৪৭। + সূরায় একটি অংশ আছেঃ + উল্লেখ করা হয়েছেঃ + " আমরা আকাশের প্রান্তদেশের সম্প্রসারণ করেছি।" + আয়াতটি খুব আলাদা, তাইনা? - জ্বি, এটা সম্প্রসারিত হচ্ছে। + জ্বি, কিন্তু আমরা কখন তা জানলাম? - আমি জানি না, কখন?

+ ১৯২৯ সালে, এডুইন হাবল একজন জোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন যিনি টেলিস্কোপ ব্যাবহার করে আবিষ্কার করেছিলেন যে বিশ্বজগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। + ১৯২৯ সাল পর্যন্ত বিজ্ঞানজগত স্বীকার করতো যে বিশ্বজগত স্থির। + দাঁড়ান, ১৪৩০ বছর আগে টেলিস্কোপ এর মতো প্রযুক্তি ছিলো না। +একজন মানুষের পক্ষে কি এটা জানা সম্ভব? + আমরা মাত্রই এটা আবিষ্কার করলাম + এমনকি বিজ্ঞান জগত ১৯২৯ সালের আগে তা জানতো না। + এতো আগে কি কেউ এসব জানতো নাকি এই জ্ঞান স্রষ্টার তরফ থেকে পাঠানো হয়েছিলো?

- এইসব উদাহরণের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি যে স্রষ্টা এই জ্ঞান পাঠিয়েছিলেন। + জ্বি, আমরা বুঝতে পারি যে একজন মানুষ তা লিখতে পারে না। + আমি আপনাকে মাত্র দুটো উদাহরণ দিয়েছি। + আমি আরো দশটি দিতে পারবো। + এমন অনেক প্রমাণ আছে যা মানুষের দ্বারা আল কুরআন লেখার সম্ভাবনা মুছে দেয়, যেমন বিশ্বজগতের সম্প্রসারণ এবং লৌহের নাজিল হওয়া। +এই গ্রন্থে এই সব তথ্য থাকা কি এটাই ইঙ্গিত করে না যে একজন স্রষ্টা আছেন এবং তিনি এই গ্রন্থ একটি নির্দেশিকা হিসেবে প্ররণ করেছেন? - সেটাই যৌক্তিক হবে। + আর কিছু জানতে চান? - আমার কোন প্রশ্ন নেই। + আপনি কী ভাবছেন? + আপনি কি আসবেন?

- আমি আসবো কিন্তু আশা করি আমি ত্যাগ করবো না। + চলে যাওয়ার কিছু নেই, ওটা ভাববেন না। + ওটা শয়তানের কারসাজি। + আপনার যে কোন প্রশ্নের উত্তর আছে। + আপনি কি জানেন কিভাবে আবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হয়? -" আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং মোহাম্মদ তাঁর রাসূল।"
