# "What if Christians or Atheists Are Right"! - The Answer To The Question

- Language: bn
- Published: 2026-08-26
- Canonical: https://blog.towardseternity.com/bn/blog/what-if-christians-or-atheists-are-right-the-answer-to-the-question
- Source video: https://www.youtube.com/watch?v=FoU9GGa-Btk
- Channel: Towards Eternity

This is the cleaned transcript of the source video. The speech is unaltered.

---

প্রতিটি প্রশ্নের পরে আপনি 60 সেকেন্ড সময় পাবেন। আমরা সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট উত্তর চাই; আমরা চাই না আপনি অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে কথা বলেন। আপনি কি প্রস্তুত? আমি প্রস্তুত। যদি খ্রিস্টান এবং নাস্তিকরা সঠিক হয়? আচ্ছা... তাহলে আমরা এই প্রশ্নের বিকল্প তৈরী করতে পারি। আমরা এটা এভাবেও বলতে পারি; যদি জিউস, পসেইডন ইত্যাদি সঠিক হয়, তাদের অস্তিত্ব থাকে, অথবা হিন্দুরা সঠিক হয়। একজন নাস্তিক বলতে পারেন; "যদি ইসলাম সঠিক হয়?

"যদি মুসলমানরা সঠিক হয়?" দার্শনিক মতাদর্শ বা নামের পরিবর্তে, আমরা সেই বিষয়ে কথা বলছি যা স্রষ্টার দ্বারা উপস্থাপন করা উচিত এবং একজন মানুষের দ্বারা নয়। আর যদি এর পক্ষে প্রমাণ থাকে এবং যদি এই প্রমাণগুলো আমাদেরকে আশ্বস্ত করে তবে আমরা তা গ্রহণ করবো। ঠিক আছে, কিন্তু আমরা এখনও আমাদের প্রশ্নের উত্তর পাইনি। আমাদের কাছে প্রমাণ করুন যে খ্রিস্টধর্মের পরিবর্তন হয়েছে। আমি শুধুমাত্র একটি অংশ উল্লেখ করবো। ম্যাথিউ এর গসপেল, অধ্যায় 7। আয়াত 15 এবং 20 বলা হয়েছে: "ভন্ড নবীদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন। তারা ভাল সেজে তোমার কাছে আসে।" "কিন্তু ভিতরে ভিতরে তারা হিংস্র নেকড়ের মত ভয়ংকর।" "...

একইভাবে, প্রতিটি ভাল গাছ ভাল ফল দেয়, কিন্তু একটি খারাপ গাছ খারাপ ফল দেয়..." "এভাবেই, তাদের ফলের মাধ্যমে আপনি তাদের চিনতে পারবেন।" যীশু যদি শেষ নবী বা শেষ রক্ষাকর্তা হন... কেন তিনি আমাদেরকে সত্য নবীদের থেকে মিথ্যা নবীদের আলাদা করার পদ্ধতি শিখালেন? তিনি কী শুধু বলতে পারতেন না, যে তার পরে যারা নবুওয়াত দাবি করেছে তারা সবাই মিথ্যাবাদী? কিন্তু, সেরকম কিছু বলার পরিবর্তে তিনি আমাদের একটি পদ্ধতি দিয়েছেন। এর অর্থ হল সত্য এবং মিথ্যা নবীরা প্রকাশিত হবেন, এবং আপনি এই পদ্ধতির মাধ্যমে সত্যকে চিনতে পারবেন। বাইবেল কি পরিবর্তিত হয়েছে?

এটাকে বিকৃত করা হয়েছে। অর্থাৎ, এটা পরিবর্তন করা হয়েছে। হ্যাঁ, এটা পরিবর্তন করা হয়েছে। তাহলে আপনি বলছেন বাইবেল পরিবর্তন করা হয়েছে, কিন্তু আপনি বাইবেল থেকেই উদাহরণ দিলেন। আমি বলতে চাচ্ছি, আপনি কিভাবে জানেন যে এই কথাগুলো যীশুর? প্রথমত, মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে বাইবেল বিকৃত করা হয়েছে, খ্রিস্টানরা তা বিশ্বাস করে না। আমি বলতে চাচ্ছি, তারা বলে যে তাদের কাছে এখন যে বাইবেলটি আছে সেটা সত্য। সুতরাং, আমরা ধরে নিব যে বর্তমান বাইবেলটি সঠিক এবং এটাকে মেনে নিব। তারপর, আমি সরাসরি আয়াতটির দিকে তাকাই, বাইবেল কী বলে তা দেখার জন্য, আপনি যে অংশটা বলেছেন তা সত্য; এটা আমাকে কী বলছে? এবং যখন আমি আপনার কাছে যথার্থ মনে হওয়া অংশগুলো দেখি, সেটা আমাকে একজন আসন্ন নবীর বিষয়ে আভাস দেয়। তাহলে, ইসলাম কেন সত্য ধর্ম?

আমরা এই বিষয়ে ব্যাপকভাবে কথা বলতে পারি, কিন্তু আমি একটি উদাহরণ দিতে চাই। কোন মানুষ এই কোরআন লিখতে পারে না। আমি শুধু একটা আয়াত উল্লেখ করতে যাচ্ছি। সূরা হাদিদের ২৫তম আয়াত। আউযুবিল্লাহ وَاَنْزَلْنَا الْحَد۪يدَ ف۪يهِ بَأْسٌ شَد۪يدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ "আমরা লোহা নাযিল করেছি, যাতে রয়েছে মহান সামরিক শক্তি এবং মানুষের জন্য উপকারীতা।" এখন আমরা জানি যে উপাদান গঠনের জন্য খুব উচ্চ তাপমাত্রার প্রয়োজন। এমনকি বিগ ব্যাং বিস্ফোরণে প্রথম উপাদান হাইড্রোজেনও তৈরি হয় উচ্চ তাপমাত্রায়। যখন এই বিষয়ে গবেষণা করা হয়, তারা দেখতে পায় যে, একটা লোহার উপাদান গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় তাপ সূর্য থেকে বা পৃথিবীর ম্যাগমা চেম্বারের মধ্যে পাওয়া যায় না। সুতরাং, তারা অনুসন্ধান শুরু করে কিভাবে লোহা গঠিত হয়। এটি নোভা এবং সুপারনোভা নক্ষত্র দ্বারা গঠিত হয়...

এবং আমরা মাত্রই আবিষ্কার করেছি যে এটা বিস্ফোরণ দ্বারা গঠিত এবং এটা পৃথিবীতে এসে পড়ে। সেই সময়ে কেউ এমন একটি আবিষ্কার করে তার বইয়ে তা উল্লেখ করতে পারেনা। আমার মনে হয়না যে সময়ের প্রযুক্তি ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন আছে। ঠিক আছে, কিন্তু আপনি সবসময় উদাহরণ হিসাবে একই আয়াত দেন। আপনার কাছে নতুন কোন উদাহরণ আছে?

শত সহস্র অলৌকিক ঘটনা আছে। আমি আপনাকে আরও একটা বলবো, এবং সন্তুষ্টি বোধ আপনার উপর নির্ভর করবে। সূরা আয-যারিয়াতের 47তম আয়াত। এতে বলা হয়েছে, "এবং আমরা শক্তি দিয়ে আসমান সৃষ্টি করেছি, এবং নিঃসন্দেহে, আমরাই [এর] সম্প্রসারণকারী।" এখানে একটা শব্দ আছে: ''وَالسَمَٓاءَ'' যার অর্থ আকাশ মহাবিশ্বের সমস্ত অংশকে ঢেকে রাখে। আর আয়াতের শেষ অংশে ‘মুসি'য়ূন’ শব্দটা রয়েছে। "মুসি'য়ূন" শব্দটা "আওসা" এর বহুবচন। এর মানে আমরা সম্প্রসারিত করছি। আরবীতে "ওয়াসিয়া" মানে প্রশস্ত। এতে পূর্বপদ হিসাবে "মু" যুক্ত হলে, এর অর্থ হয় কর্তা। আমরা প্রসারিত করছি। আমরা জানি যে আমাদের মহাবিশ্ব স্থিতিশীল বা ধ্রুবক নয়। এটা বর্তমানে প্রসারিত হচ্ছে। তবে, আমরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই তথ্য আবিষ্কার শুরু করেছি। এমনকি আইজাক নিউটনও মহাবিশ্বকে স্থির ও স্থিতিশীল বলে দাবি করেছিলেন। 1400 বছর আগে একজন মানুষের পক্ষে এটি সনাক্ত করে তার বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করাটাও অসম্ভব। সুতরাং, যিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, এই বইটিও তাঁরই। তিনি এর মাধ্যমে আমাদেরকে ব্যাখ্যা করেন এবং প্রমাণ করেন এবং আমাদের জানানও। আপনি কি আয়াতটা পুনরায় পড়তে পারেন?

আমি এরপরে কিছু বলতে চাই। এবং আমরা শক্তি দিয়ে আসমান সৃষ্টি করেছি, এবং নিঃসন্দেহে, আমরাই [এর] সম্প্রসারণকারী। (আয-যারিয়াত, 51:47) আপনি বলেছেন, 'আমরা সম্প্রসারিত করছি', 'আমরা' শব্দটা ব্যবহার করা হয়েছে। মানে আমরা একজন সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করি। সেখানে কেন বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে? আরবীতে, "আমরা" দিয়ে মহিমা এবং সালতানাতকে বোঝায়। এটা মহত্ত্ব প্রকাশ করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আমি আপনাকে জিজ্ঞাসা করি, "আপনার মহামান্য কি এই সরঞ্জামটি স্থাপন করেছেন, জনাব জোনাথন?" আমি যখন আপনার মহামান্য বলছি, আমি এখনও আপনার কথাই বলছি, তাই না?

সম্মানের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য এটা একটা উক্তি। ভাষাগুলোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্টাইল প্রচলিত রয়েছে। এটা ইংরেজিতেও ব্যবহৃত হয়, সুতরাং আল্লাহ যখন বলেন, 'আমরা,' তখন তিনি তাঁর মহামান্য, মহানতা ও মহিমা প্রকাশ করেন। এবং আরবরা ইতিমধ্যে এটা জানে। যারা আরবী জানেন তারা কখনও প্রশ্ন করেন না, "কেন আমরা বলা হয়েছে?" অথবা "কতজন স্রষ্টা আছেন?" এমনকি, বহুঈশ্বরবাদীরাও এটা নিয়ে প্রশ্ন করে না। যাইহোক, আমরা কেবল এর অর্থ দেখি, ভাষ্য বা ব্যাখ্যা না। অতএব, অনুবাদের মধ্যে ত্রুটির কারণে এই ধরনের প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে। উত্তরের জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু আমাদের প্রশ্নগুলো এখনও শেষ হয়নি। আরও চ্যালেঞ্জিং প্রশ্ন থাকবে, আপনি কি নিজেকে বিশ্বাস করেন?

প্রতিটা প্রশ্নের জন্য উত্তর আছে। আমি নিজেকে বিশ্বাস করি না। আমি কোরআনকে বিশ্বাস করি...
