Towards Eternity
ব্লগে ফিরে যান

Ali Dawah Answered The Toughest Atheism Questions! - Only in 1 Minute

প্রকাশের তারিখ

YouTube-এ দেখুন

স্রষ্টা সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। তাহলে কে স্রষ্টাকে সৃষ্টি করেছে? আপনি স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন। যা বিজ্ঞানীরা খুঁজে বের করতে পারলো না। কিন্তু আপনি পারলেন। এটা ঠিক? যদি সময় অসীম হয়। তাহলে কেন? সম্ভাবনা অসীম নয়। যে মুহূর্তে তিনি এটা তৈরি করবেন, তিনি আর শক্তিশালী থাকবেন না কারণ তিনি এটি তুলতে পারবেন না। এমন কোনো জিনিসের অস্তিত্ব নেই। তখনই জাস্টিন ব্যারেট অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণা সম্পন্ন করেন। তিনি দেখেন যেসব ছোট বাচ্চাদের ইসলাম অথবা খ্রিষ্টধর্ম বা অন্য কোনো ধর্মের শিক্ষা দেওয়া হয়নি, তাদের মধ্যে একজন স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস রাখার ঝোঁক দেখা যায়, আলি দাওয়াহ, প্রতিটি প্রশ্নের জন্য আপনার হাতে এক মিনিট আছে। আপনি প্রস্তুত? আপনি প্রস্তুত তো? আপনি কি ১ মিনিটে স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারবেন?

আসুন গুগলের দিকে তাকাই। গুগলের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে, আমাদের ইন্টারনেট দরকার ইন্টারনেটের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে আমাদের দরকার কম্পিউটার কিংবা আমাদের টেলিফোন বা আমাদের ট্যাবলেট। কম্পিউটারকে অস্তিত্ব দিতে, এমন মানুষকে দরকার যে এটি তৈরি করে। এটি বিদ্যুতের উপর নির্ভর করে। এই প্রশ্নের উত্তর এভাবেই প্রকাশ পায়। গুগল ইন্টারনেটের উপর নির্ভর করে। ইন্টারনেট কম্পিউটারের উপর নির্ভর করে। কম্পিউটার বিদ্যুতের উপর নির্ভর করে। আর এটা এভাবে চলতেই থাকে। আমরা নির্ভরশীল বস্তুগুলোর অসীম নির্ভরণ দাঁড় করাতে পারি না। আমাদের এমন একটি জায়গা দরকার যেখানে এসবকিছু থেমে গিয়ে একটি অর্থ প্রকাশ করবে, আর সেটি হলো স্বাধীন, স্বয়ংসম্পূর্ণ, অপরিহার্য সত্তা সেই স্রষ্টা। কেন মহাবিশ্ব “অপরিহার্য সত্তা” হতে পারে না?

আচ্ছা, আপনি এটা বলেছেন দেখে ভালো লাগলো কেননা প্রথমত আপনি আমার সাথে একমত হয়েছেন যে আমাদের অপরিহার্য সত্তা প্রয়োজন। এটা ভালো। আপনি যা করেছেন তা মহাবিশ্বের উপর প্রয়োগ হয়েছে, আর আমরা বলছি যে এটি অপরিহার্য সত্তার বিপরীত কারণ সে স্বাধীন, স্বয়ং-সম্পূর্ণ, এবং অপরিহার্য। এই মহাবিশ্ব স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্বনির্ভর নয়। বরং তার বিপরীত। তাই আপনি একে স্রষ্টা বলতে পারেন না কারণ এটি তার বিপরীত স্রষ্টা কি এমন পাথর সৃষ্টি করতে পারেন যা তিনি নিজেই তুলতে পারেন না? আমার মতে, মানুষ যখন এই প্রশ্নটা একেবারে অকাট্য ভেবে জিজ্ঞেস করে তখনই এটি নিরর্থক হয়ে যায়। আমি এই প্রশ্ন করতে পারি, স্রষ্টা কি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে? অবশ্যই না। এটা অসঙ্গত। এটা অনেকটা এভাবে বলার মতো, এক সপ্তাহে কত দিন? হ্যাঁ বা না? হ্যাঁ বা না?

এটা কোনো হ্যাঁ বা না বোধক প্রশ্ন নয়। আমাকে জিজ্ঞেস করতে হবে কত দিনে এক সপ্তাহ? সাত। এখানে মূলকথা হলো, এই প্রশ্নটা নিরর্থক, প্রশ্নটা আবার বলি; স্রষ্টা কি এতোটাই বড় কিছু বানাতে পারেন যা তিনি নিজেই তুলতে পারেন না। এমনকিছু তৈরি করার মধ্য দিয়ে, তিনি শক্তিশালী হবেন না কারণ তিনি এটি তুলতে পারবেন না। এমন কোনো জিনিসের অস্তিত্ব নেই। এটা কেবল একটি নিরর্থক প্রশ্ন। স্রষ্টা কি একের অধিক হতে পারে?

না, কেননা তাহলে আমাদের অপরিহার্য সত্তার বিতর্কে ফিরে যেতে হবে। স্রষ্টা যদি একের অধিক হতো, তখন এই প্রশ্ন দাঁড়াত আপনি কিভাবে একজন অপরিহার্য সত্তাকে পাবেন যে হবে স্বয়ং-সম্পূর্ণ, স্বাধীন, আরেকজন স্রষ্টা থাকার মানে, সে পরনির্ভর। সে আর অপরিহার্য নয়। তাহলে প্রশ্নটা ছিল, দুইজন স্রষ্টা আছেন কিনা, প্রথমত, আল্লাহ কোরআনে বলেছেন, তখন তারা ক্ষমতার জন্য লড়াই করত। ঠিক আছে। এটা প্রমাণ করে নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে থাকা দুইটি শক্তি আসলে পরনির্ভর কেননা অপর পক্ষকে হত্যা করার জন্য তাদের আরো শক্তি দরকার। একারণেই আমরা বিশ্বাস করি অপরিহার্য সত্তা হবেন কেবল একজন। যে স্বয়ং-সম্পূর্ণ এবং অপরিহার্য। স্রষ্টা সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। তাহলে কে স্রষ্টাকে সৃষ্টি করেছে?

আচ্ছা, এই প্রশ্নটা অমূলক। আবারো বলছি, এটি একটি অমূলক প্রশ্ন। কেউ এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা মানেই এমন না যে এটি একটি সঠিক প্রশ্ন, কারণ আমরা যা দেখি তা আসলে আমাদের মহাবিশ্বের মধ্যে ঘটা কারণ ও তার প্রভাব, এক নির্মাতাকে কে তৈরি করেছে, তা জানার জন্য আরেকজন নির্মাতাকে দরকার আপনি নিজে বুঝতে পারবেন না কে সেই নির্মাতা। এখানে আবারো অপরিহার্য সত্তার প্রসঙ্গটি চলে আসে তার বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী? সে স্বাধীন। সে স্বয়ং-সম্পূর্ণ। সে অপরিহার্য আপনি যদি এই তিনটি বিষয় মেনে নিতে চান। ঠিক আছে। তাহলে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে কে স্রষ্টাকে সৃষ্টি করল?

''স্রষ্টা কি এমন কোনো পাথর বানাতে পারেন যা তিনি তুলতে পারেন না?'' ''স্রষ্টা কি বিলুপ্ত হতে পারেন?'' এই প্রশ্নগুলো অযৌক্তিক। এর কোনো অস্তিত্ব নেই। আপনি যে প্রশ্ন করছেন তেমন কিছুই আসলে নেই। কারণ তাঁকে যদি অন্য কোনো স্রষ্টা সৃষ্টি করতেন, তাহলে তিনি পরনির্ভর হতেন। তিনি আর স্বয়ং-সম্পূর্ণ হতেন না। তাই আমরা যে পর্যায়ে বলছি এই স্রষ্টা, অপরিহার্য সত্তা অর্থাৎ স্বাধীন, স্বয়ং-সম্পূর্ণ, অপরিহার্য, সেখানেই সবকিছু থেমে যায়। অন্যান্য ধর্ম থাকার পরও ইসলাম কেন?

আচ্ছা, এটা একটা প্রশ্ন ইসলাম গ্রহণের আগে আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করেছিলাম “ইসলাম কেন?” আর যখন আমি আমার রিসার্চ করছিলাম এবং ফিতরার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম তখনই জাস্টিন ব্যারেট অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণা সম্পন্ন করেন। তিনি দেখেন যেসব ছোট বাচ্চাদের ইসলাম অথবা খ্রিষ্টধর্ম বা অন্য কোনো ধর্মের শিক্ষা দেওয়া হয়নি, তাদের মধ্যে একজন স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস রাখার ঝোঁক দেখা যায়, দুই নয়, তিনও নয়। তাই আমার ক্ষেত্রে, আমি আমার মাঝে একজন স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসকে ধারণ করি। কিন্তু প্রশ্নটা হলো “কেন ইসলাম?” আমি নিজেকেও একই প্রশ্ন করেছি, আর এটি নিয়ে নিরীক্ষা করার পর, আমি প্রকৃত একত্ববাদের আসল মর্মার্থ উপলদ্ধি করি, কারণ, আপনি খ্রিষ্টানদের কাছে গেলে, তারা বলবে আমরা একেশ্বরবাদী এবং তারা একটির মধ্যেই তিনটিকে বিশ্বাস করেন, হিন্দুদের কাছে যান, তারা বলবে আমরা একজনের মধ্য দিয়ে ১ মিলিয়ন স্রষ্টাকে বিশ্বাস করি। মূলকথা হলো এই উপাসনায় প্রকৃত একত্ববাদ এবং স্রষ্টা কে, সেই উপলদ্ধি কেবল ইসলামেই নিহিত। শুধু তাই নয় কোরআনের ক্ষেত্রেও এ কথা সঠিক, এটিই পৃথিবীর একমাত্র ধর্মগ্রন্থ যেটি সুরক্ষিত আছে এবং এতে থাকা অলৌকিকতাও আমরা দেখতে পাচ্ছি। যেমন ধরুন, আমি যদি একজন খ্রিষ্টানের কাছে গিয়ে বলি, দেখুন, আমি খ্রিষ্টধর্ম বিশ্বাস করতে চাই। আমাকে দেখান। আপনি জানেন, যিশু মৃতকে প্রাণ দিয়েছিলেন। আর সেটাই, স্রষ্টার অনুমতি নিয়ে আমাকে দেখান। যদি আপনি যিশুর কাছে গিয়ে বলেন, মোশি যে একাজ করেছে, আমাকে দেখান। তারা কি দেখাতে পারবে?

না, পারবে না। তারা যদি এসে আমাদের জিজ্ঞেস করে, কোরআনের অলৌকিকতা কী? আমরা বলবো, এই যে কোরআন আপনাকে সব দেখাবে, এটি ধরুন আপনি এটি অনুভব করতে পারেন, বিশ্লেষণ করতে পারেন। কেন?

কারণ আমরাও এর থেকেই শিখি। কোরআন সকল মানুষের জন্য। আপনি এটি দেখতে পারেন, শুনতে পারেন, এটি পরীক্ষা করতে পারেন। কিন্তু অন্যান্য নবী যেসব অলৌকিক কাজ করেছেন, সেগুলো আপনি প্রমাণ করতে পারবেন না। কেননা সেগুলো ছিল নির্দিষ্টভাবে কেবল সেই সময়ের জন্য। আর কোরআন সকল সময়ের জন্য কারণ আমাদের একটি পদ্ধতি আছে, মৌখিক ঐতিহ্য আছে, সেটি হলো কোরআন, যেটিকে আমরা এবং আমাদের পরবর্তী অনেক অনেক প্রজন্ম নিরীক্ষা করতে পারবে। আর ইসলাম গ্রহণের আগে, আমি এটাই করেছি। আমি এটি পরীক্ষা করেছি, এটি পড়েছি, ভবিষ্যদ্বাণী দেখেছি, অলৌকিক ব্যাপারগুলো দেখেছি, আমি বলেছি, এটি আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছ থেকে আসতে পারে না। আপনি আমাদের বলেছেন যে কোরআনে অলৌকিকতা আছে। অনুগ্রহ করে আমাদেরকে কোরআনের একটি অলৌকিকতা বলবেন কী?

আমি এখানে উদার হব। আমি আপনাদের তিনটি বলব। জীবনে মাঝে মাঝে আপনাকে উদার হতে হবে। প্রথমটি হলো, আমার মতে, এর মর্মার্থ গভীর। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমাদেরকে যা বলা হয়েছে, যেমন সুরা বালাদে আল্লাহ তায়ালা আবু লাহাব সম্পর্কে বলেছেন আর এটা খুবই চমকপ্রদ। কেননা আবু লাহাব একটি স্বীকারোক্তি দিতে পারতো আর সম্পূর্ণ ইসলাম ধুলায় মিশে যেত। আল্লাহ কোরআনে বলেছেন আবু লাহাব এবং তার স্ত্রী, আগুনের দিকে, দোযখের আগুনের দিকে যাচ্ছেন। তারা অবিশ্বাসী হিসেবে মৃত্যুবরণ করে দোযখের আগুনে পতিত হবেন। এখন, যদি আপনি এটি নিয়ে ভাবেন, আবু লাহাব, তিনি একটা কাজ করেই ইসলামকে ভুল প্রমাণ করতে পারতেন। কারণ কোরআনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। তুমি দোযখে যাবে, তুমি আর তোমার স্ত্রী, আর তুমি একজন অবিশ্বাসী হিসেবে মৃত্যুবরণ করবে। ব্যাপারটা এরকম। এখানে, আবু লাহাব বলতে পারতেন, “ এক মিনিট দাঁড়াও। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে এক আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো স্রষ্টা নেই এই দেখো, তোমার ধর্ম মিথ্যা কারণ তোমার ধর্ম বলেছে, আমি দোযখে যাব। তোমার ধর্ম বলেছে আমি অবিশ্বাসী হিসেবে মারা যাব। অথচ আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি।” তিনি তা করেননি। তিনি অবিশ্বাসী হিসেবেই মারা গেছেন। আমার কাছে, এটি অত্যন্ত গভীর কারণ ইসলামকে ভুল প্রমাণ করতে তিনি কেবল একটা একটা উক্তি বললেই হতো...

তিনি চেয়েছিলেন...

তিনি চেয়েছিলেন, মহানবী মুহাম্মদ (স) কে থামাতে, তার পক্ষে যা কিছু সম্ভব ছিল সব করেছেন। ১০ সেকেন্ডে কালিমা শাহাদাত পড়ে পুরো ধর্মকে গুঁড়িয়ে দিতে পারতেন। তিনি করেননি। দুই নম্বর, উদাহরণস্বরূপ, একটি প্রমাণ আছে, আল্লাহ তা'আলা কোরআনে মুসা (আ) এর সময়কাল এবং ইউসুফ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়কাল সম্পর্কে বলেছেন, এবং আল্লাহ ইউসুফ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়কাল নিয়ে বলার সময়। শাসককে রাজা বলেছেন। মুসা(আ) এর সময়কালে, তাঁকে বলেছেন ফেরাউন। কিন্তু বাইবেলে ইউসুফ আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়কাল নিয়ে বলার সময় তারা তাঁকে ফেরাউন বলেছে। আর মুসা(আ) এর সময়কাল নিয়ে বলার সময় তাঁকেও ফেরাউন বলেছে। এটি একটি ঐতিহাসিক ভুল কারণ তারা যখন রোসেটা প্রস্তরফলকের পাঠোদ্ধার করে, এটি মিসরীয় হায়রোগ্লিফিক বোঝার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিল। তারা খুঁজে পায় যে ইউসুফ(আ) এর সময়কালে কোনো ফারাও ছিল না। এই রাজবংশের কোনো উপস্থিতি ছিল না। সেসময় যে রাজা ছিল তা কুরআন কিভাবে জানল?

আর তারা বলে যে কোরআন বাইবেলকে নকল করেছে, কোরআন বাইবেল থেকে কপি করেছে। তাহলে কোরআন কেন ভুলটা কপি করল না? আর এটি কিভাবে জানল যে জোসেফের সময়কালে শাসককে রাজা বলা হতো, ফেরাউন নয়? কিভাবে জানল?

এটা হল দুই নম্বর। তিন নম্বর। আল্লাহ তা'আলা সূরা আর-সূরা রুমে বলেছেন রোমানরা পরাজিত হয়েছে। ইতিহাসবিদরাও একইভাবে বলেন যে রোমানরা পার্সিয়ানদের কাছে পরাজিত হয়েছিল। তারা আবার জয়ী হবে এমন চিন্তা করাতো দূরের কথা, তাদের টিকে থাকাটাও অসম্ভব ছিল, আল্লাহ তা'আলা, কোরআনে বলেছেন। রোমানরা পরাজিত হয়েছে, কিন্তু তারা আবার জয়ী হতে যাচ্ছে। এটা এমনই এক বিশাল উক্তি যা অনেকটা এমন বলার মতো, তোমাদের সাথে নিয়ে, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জয় করব এবং আমরা ট্রাম্পকে পরাজিত করব। এটা চরম। এটা ছিল বিপুল ঝুঁকিপূর্ণ। এবং তিন থেকে সাত বছর বা তিন থেকে নয় বছর পর, রোমানরা পার্সিয়ানদের পরাজিত করে। এগুলো ঐতিহাসিক। আর মাত্র কয়েকটি বলেছি। আরো শত শত আছে। শত শত। আমি কেবল তিনটা বললাম। এবং আমি আরো বলতে পারি। আপনি স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন। বিজ্ঞানীরা খুঁজে বের করতে পারলেন না কিন্তু আপনি পারলেন। এটা ঠিক?

এটা আমি পেরেছি এমন না। আমরা আমাদের যুক্তি ব্যবহার করি। আমরা মস্তিষ্ক ব্যবহার করি, বিজ্ঞান পঞ্চইন্দ্রিয় ব্যবহার করে। আপনি দেখবেন যে প্রায়োগিকতা। যা খুবই সহজ। বিজ্ঞানীরা বস্তুকে বিশ্বাস করেন। যদি আপনি বলেন, যেমন আমি স্রষ্টাকে দেখতে পাই না একারণে আমি বিশ্বাস করিনা। বিজ্ঞান অতি প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে কথা বলে না। এটা ভৌতের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু আমরা জানি, বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ডার্ক ম্যাটার আবিষ্কার করেছেন ডার্ক ম্যাটার এমন কিছু যা তারা দেখতে পায় না, তারা স্পর্শ করতে পারে না, তারা অনুভব করতে পারে না, তারা গন্ধ নিতে পারে না, তারা শুনতে পায় না। এসব স্রষ্টার ক্ষেত্রেও একই। আপনি কি স্রষ্টাকে দেখতে পারেন? না। আপনি কি স্রষ্টাকে স্পর্শ করতে পারেন? না। আপনি কি স্রষ্টার ঘ্রাণ নিতে পারেন?

না। আপনি কি স্রষ্টাকে শুনতে পারেন? না। আপনি কি স্রষ্টাকে দেখতে পারেন? না। কিন্তু আপনি প্রত্যাখ্যান করেন যে তিনি আছেন। কিন্তু ডার্ক ম্যাটারের ক্ষেত্রেও একই কথা। আপনি। একই কথা। কিন্তু আপনি বলছেন না। ডার্ক ম্যাটার আছে। এটা কী ধরনের বিরুদ্ধাচার? প্রথমত, ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই কারণ আমি স্পর্শ, অনুভূতি অনুভব করতে পারি না। কিন্তু ডার্ক ম্যাটারের আছে। বিরুদ্ধাচার। আপনার আদর্শমান কেন দুই রকম?

একজন বিজ্ঞানী হিসেবে এটা আসল বিষয়, আমি নতুন কিছু আবিষ্কার করিনি। আমি আমার যৌক্তিক বিচার, যৌক্তিকতা ব্যবহার করেছি সরল সিদ্ধান্তে আসার জন্য। আমার বিজ্ঞানী হওয়ার দরকার নেই। আপনি কতটা বিজ্ঞানী তা নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। স্রষ্টায় বিশ্বাস করে এমন লোক আছে। যারা বিজ্ঞানীও যেমন আইনস্টাইন। তিনি উচ্চতর শক্তিতে বিশ্বাস করতেন। সুতরাং বিজ্ঞান বা বিজ্ঞানী এবং স্রষ্টার ধারণা বিপরীতমুখী নয়। আপনি এমন বিজ্ঞানী দেখবেন যারা মুসলিম অথবা এমন বিজ্ঞানী যারা খ্রিষ্টান তাই এটা আবিষ্কার নয়। আপনি কি বিখ্যাত নাস্তিকদের সাথে কথা বলার জন্য যথেষ্ট সাহসী? আপনি যদি তাদের মুখোমুখি হন তাহলে আপনি কী করবেন?

আমার কোনো সমস্যা নেই কারণ সত্যি কথা বলতে কি, আমি পরোয়া করি না। আপনি কতটা নাস্তিক কতটা বিজ্ঞানী, অধ্যাপক, আমি পরোয়া করি না, একই কথা বলব। আমি একই যুক্তি দেব এবং আপনাকে তাদের উত্তর দিতে হবে। আমি পরোয়া করি না কারণ আমি জানি, আমি ১০০% নিশ্চিত যৌক্তিকভাবে আপনি এর বাইরে যেতে পারবেন না, যদি না আপনি একজন ন্যূনতম একেশ্বরবাদী হয়ে থাকেন। হয়তো আস্তিক, আমরা চালিয়ে যেতে পারি। একেশ্বরবাদ। সুতরাং আপনি একজন অধ্যাপক কিনা তা নিয়ে আমি পরোয়া করি না, আমি পরোয়া করি না অপ্রাসঙ্গিক যতক্ষণ আপনার জ্ঞান আছে বলে আমি মনে করি। আমরা যুক্তি দিতে পারবো তাহলে ১০০% কোনো পথ নেই যে তারা যেতে পারবে। যদি সময় অসীম হয়। হ্যাঁ সম্ভাবনা কেন অসীম হবে না?

এটা একটা ভালো প্রশ্ন। এর উত্তর দিতে আমাকে এই পানি পান করতে হবে এই গ্লাসটি খালি। হ্যাঁ খালি। যদি আমরা বলি সময় অসীম, কারণ এখানে তর্কটি হলো যদি আপনি অসীম পরিমাণ সময় দেন, যেকোনো কিছু হতে পারে। এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা কারণ যুক্তির খাতিরে ধরে নেওয়া যাক। যদি আমি চকলেট চিজকেক পছন্দ করি, চকলেট চিজকেক না। আচ্ছা বাংলায় বলি ঠিক আছে। সুন্দর মিষ্টি দই। যদি আমি এখানে দই পেতে চাই আমি বললাম আমি অসীম সময় দেব আমি কী কখনো দই পাবো? আর হ্যাঁ আমি উপরে সর পড়া দই পছন্দ করি। আরো নির্দিষ্ট করে বলি। আমরা কি কখনো এটা পাবো? না, কারণ সময়ের সমীকরণ অপ্রাসঙ্গিক যদি আমি যেমন পছন্দ করি তেমন দই বানানোর উপকরণ না থাকে তাহলে আমি দই পাবো না। এটা সহজ কথা। সময় অপ্রাসঙ্গিক সময় এখানে কী করবে?

যদি অসীম পরিমাণ সময় দিই আপনি কি একটি ফেরারি পাবেন? না, অসীম সময় দিন। আমরা কি মহাবিশ্ব পাবো? না, কারণ মহাবিশ্ব বা ফেরারি বা আমার দই বানানোর উপকরণ যেটা বেশি দরকার সেটা নেই। তাই যদি সেটা না থাকে আপনি এটা পাবেন না। তবে আশা করা যায় এরপর আমি দই কিনবো। ঠিক আছে। আমাদের প্রশ্ন করা শেষ তাহলে আমি একটা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে চাই। আপনারা কেন ইসলাম গ্রহণ করছেন না আমি সবগুলোর উত্তর দেবার পরেও? আমার সাথে বলুন; "আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ... - সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর আমরা মুসলিম - আমরা মুসলিম বন্ধুরা খুবই ভালো লাগলো। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, আমরা বিস্কুট আর তুর্কিশ চা খাচ্ছি। আমার মনে হচ্ছে এখানে প্রায়ই আসতে হবে। অনুগ্রহ করে, এটা নিয়মিত করুন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।