Towards Eternity
ব্লগে ফিরে যান

कैसे पोर्नोग्राफी करती है आपके आने वाले जीवन को प्रभावित! - NoFap Fail! ‪‪@iamLucid‬

প্রকাশের তারিখ

YouTube-এ দেখুন

দিনে আমি এক ডজন বার হস্তমৈথুন করি। হ্যাঁ, দিনে আমি অন্তত ১২ বার হস্তমৈথুন করি। মানে , দিনে এটা তিনবার করলেই ব্রো, সব সময়, সব সময় মনে হতে থাকে, ব্যাপারটা! আহ.... হয়েই গেলো!

সমস্যাটা বেশ অস্বস্তিকর, আর এটা বেড়েই চলেছে। শিশুদের যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার পর্নোগ্রাফিক ছবি তৈরি হচ্ছে লক্ষ লক্ষ। আপনি নিজের মনে লালন করে চলেছেন সেই দানবকে। এটা ঠিক। পর্নোগ্রাফির সমস্যা কোন দিকে যাচ্ছে আমি দেখতে পাচ্ছি। মানুষ এতে আসক্ত। এটা হচ্ছে এ যুগের সিগারেটের মতো। শিশুদের পর্নের প্রচুর ওয়েবসাইট হোস্ট করছে সিঙ্গাপুর। এই ভি-কার্ডটা আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই কার্ডটা বোঝায় কারো ভার্জিনিটিকে। মানুষ বাস্তব জীবনের চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির উপর অনেক বেশি গুরুত্ব আরোপ করে। হস্তমৈথুন কোনো স্বাভাবিক চাহিদা নয়। আপনি যদি হাত দিয়ে প্রজনন ঘটাতে না পারেন, তাহলে কোনোক্রমেই স্বাভাবিকভাবেই হস্তমৈথুনের মতো কিছু ঘটতে পারে না। মানুষ এটা করে প্রকৃত যৌন মিলনের একটা শর্টকাট হিসেবে। আসলে স্বাভাবিক চাহিদা হচ্ছে, একটা সঙ্গী খুঁজে বের করা, তাকে বিয়ে করা তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে প্রজননের প্রক্রিয়া। সেটা হতে পারে একটা স্বাভাবিক প্রয়োজনীয়তা। কিন্তু নিজের হাত দিয়ে স্বমৈথুন করার আসলে কোনো মানেই হয় না। এটা স্বাভাবিক কি না, আমার সন্দেহ আছে। এটা তখনই আসক্তি, যখন এটা করা বন্ধ করতে পারবেন না, বন্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও আপনি লক্ষ্য করবেন যে আপনি তিন, চার কিংবা পাঁচ বার ব্যর্থ হয়েছেন, যদিও আপনি বলেছেন, এটা শেষবারের মতো ছিলো তাও আপনি এটা করছেন। দুর্ভাগ্যজনক সত্য হচ্ছে এই যে, সময়ের সাথে সাথে এই ব্যাপারটা ঘটে চলেছে কমবয়সী মানুষের ক্ষেত্রে, যার কারণ হচ্ছে পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা। এখন সত্যিকারের অর্থেই যে ব্যাপারটা হস্তমৈথুনকে একটা সমস্যা করে তুলেছে সেটা হচ্ছে পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা। সাধারণত মানুষ এই জিনিসটা করার জন্য এভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বে না, যদি এমন কিছুর প্রলোভন না থাকে যেটা তাদেরকে সহজে উদ্দীপিত করবে, যেটা স্বাভাবিক নয়, যেটা বেশিরভাগ দেশেই নিয়ন্ত্রিত নয়, এবং যাতে মিলিয়ন মিলিয়ন ঘন্টার সহজলভ্য ভিডিও রয়েছে, যেকোনো ক্যাটেগরিতেই। মস্তিষ্ক হচ্ছে একটা লার্নিং প্রেডিকশন মেশিন। যদি আপনার মস্তিষ্ক উদ্দীপিত হতে শেখে, অন্যদেরকে যৌনমিলনে লিপ্ত হতে দেখে, তাহলে সরাসরি একজন ব্যক্তির সাথে থাকলে আপনার মস্তিস্কে যৌন উদ্দীপনা না-ও সৃষ্টি হতে পারে। শুরুর দিকে মানুষ সাধারণ, খুব সরল ও সাদামাটা ধরনের পর্ন দেখে। এবং তারপর আরো খোলামেলা ও রগরগে পর্ন দেখার অভ্যাস গড়ে ওঠে, এবং এর কারণে জীবনটাই নষ্ট হয়ে যায়, সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়, কারণ পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত পুরুষরা নারীদেরকে শুধুই কামনার বস্তু হিসেবে দেখতে অভ্যাস করে ফেলে। এটা নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে। কিন্তু আমি দেখেছি সাধারণত এটা ঘটে কমবয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রে, বিশেষত এই যুগে। এটা একটা সমস্যা হয়ে ওঠে যখন আপনি এটা বন্ধ করতে না পারেন। এবং দুর্ভাগ্যজনক সত্যি হচ্ছে, বেশিরভাগ লোকই পারেনা। পর্নোগ্রাফির ক্ষতিকর দিক বলে শেষ করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ, প্রথম সমস্যাটা হচ্ছে, এটা খুবই, খুবই আসক্তিকর। মানব ইতিহাসের কোনো পর্যায়েই মানুষ পকেটে থাকা একটা যন্ত্র দিয়ে এভাবে তথ্য খুঁজতে পারেনি। আপনি অবাধ এক্সেসের মাধ্যমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যখন যেভাবে খুশি আপনার ফোনে যেকোনো ধরণের যৌন মিলনের ভিডিও দেখতে পারেন। এটা পুরোপুরি অস্বাভাবিক। আমাদের পূর্বপুরুষরা, আমাদের দাদা-দাদীরা কখনোই এত সংখ্যক নগ্ন মানুষ দেখেননি, যতটা আমরা এই যুগে পাঁচ মিনিটে দেখে ফেলতে পারি। বিশেষ করে যেসব অল্পবয়সী ছেলে মেয়েরা প্রচুর পর্নোগ্রাফি দেখছে, তাদের মস্তিষ্ক শিখছে অন্য মানুষের যৌনমিলন দেখে উদ্দীপ্ত হতে। তার মানে আপনি নিজেই নিজেকে বানিয়ে ফেলছেন একজন ইক্ষুণকামী। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যেতে পারে যে, আপনার PIED অর্থাৎ পর্ন ইনডিউসড ইরেক্টাইল ডিসফাংশন হতে পারে। আমি একজনকে চিনি যার আসলেই এই সমস্যা আছে, সে বাস্তব জীবনে যৌন সামর্থ্য হারিয়ে ফেলেছে কারণ সে ভিডিও দেখে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত হয়ে গেছে এবং নারীদেরকে চরমভাবে অস্বাভাবিক শারীরিক ক্রিয়াকলাপে লিপ্ত হতে দেখেছে যেটাকে কোনোক্রমেই স্বাভাবিক বলা যায় না। একমাত্র যে জিনিসটা ওই ব্যক্তিকে উত্তেজিত করতে পারে, সেটা আসলে বাস্তব কিছুই না। অর্থাৎ সে বসবাস করছে একটা কল্পনার জগতে যেখানে তার শরীরই ঠিকমত সাড়া দিচ্ছে না। সম্ভবত সে প্রজননেও সক্ষম নয়। এবং পর্নোগ্রাফি দেখা আর এতে আসক্তির কারণে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক হয়ে যাচ্ছে ভয়াবহ। মানুষকে, বিশেষত নারীদেরকে, যৌন সামগ্রীরূপে দেখা, যৌন নিপীড়ন, ক্ষতিকর আসক্তিমূলক কর্মকাণ্ড, এই সবই ডোপামিন নিঃসরণ করে, এবং তৃপ্তি লাভের জন্য প্রত্যেকবার আরও বেশি উত্তেজক উদ্দীপকের প্রয়োজন হয়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি হয়তো শুরু করবেন একটা সাদামাটা ধরনের ভিডিও দিয়ে, কিন্তু সময় যাওয়ার সাথে সাথে আপনি দেখতে থাকবেন অনেক বেশি রগরগে ধরনের ভিডিও, কারণ আপনার মস্তিষ্কের ডোপামিন রিসেপ্টরগুলো অসাড় হয়ে গেছে, অথবা এভাবে বলা যায় যে, একপর্যায়ে আপনি লেভেল- ১ ধরণের ভিডিও দেখেই পুলকিত হতেন , কিন্তু এখন আপনি লেভেল-১৫ ধরণের ভিডিও দেখেও পুলকিত হচ্ছেন না। আবার তার উপর এটা এখানেই শেষ হয় না। ডোপামিনের নিঃসরণ যত বেশি হবে, পরের বিপরীত অবস্থাও ততটাই বেশি হবে। এবং আপনি বেজলাইনে নামবেন, নেমে যাবেন বেজলাইনেরও নিচে। আমেরিকান বোর্ড অব সাইকিয়াট্রি অ্যান্ড নিউরোলজির ডক্টর লরেন্স স্পেক্ট (SPECT) স্ক্যানিং এর মাধ্যমে আমাদের দেখাচ্ছেন পর্ন দেখার সময় মস্তিষ্কে কী ঘটে। এটা হচ্ছে যৌন আসক্ত ব্যক্তির মস্তিষ্কের স্ক্যান। ১৮ বছর বয়সী যৌন আসক্ত মস্তিষ্ক। আমরা এটা তুলনা করছি একটা সাধারণ মস্তিষ্কের সাথে। আর খালি চোখেই আমরা বলতে পারছি এটা স্বাভাবিক নয়। এখন আমরা যদি এটাকে কোকেনে আসক্ত একজনের সাথে তুলনা করি, এই ব্যক্তি কোকেনে আসক্ত, যেমনটা দেখতে পাচ্ছেন, প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স, আর প্যারাইটাল লোব এ অনেক মিল। যদিও আপনি মস্তিষ্কের উপরের অংশ দেখতে পাচ্ছেন না, খাঁজটা প্রায় একই রকম, যদি আমরা আনুদৈর্ঘিক দিক থেকে দেখি। এই ব্যক্তি তার মস্তিষ্ককে যথেষ্ট ব্যাবহার করছে না, কারণ সে যৌনতা আর এ জাতীয় জিনিস ব্যবহার করে মস্তিষ্ককে সচল রাখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। অত্তাধিক উত্তেজনা, পর্নোগ্রাফি, এগুলো কোকেন ও যৌনতায় আসক্তির কারণে আমরা মস্তিষ্কের একই ধরনের নিষ্ক্রিয়তা লক্ষ্য করি। আপনি আবারও বলতে পারনে, একজন স্বাভাবিক মানুষের মস্তিষ্ক দেখলে আমরা স্পষ্টতই লক্ষ করি, এখানে খুব বেশি ভাঁজ নেই। হ্যাঁ, নিশ্চয়ই এটা অশ্লীল, ক্ষতিকর, এমনকি অবৈধ কর্মকান্ডের দুয়ার উন্মোচন করে দেয়। কারণ যেসব ভিডিও আমরা এখন দেখছি, তাতে আসলে দেখানো হচ্ছে অভিনয়। ভিডিওতে যা দেখা যাচ্ছে তা নকল, তাতে তারা নিজেদের ১৮ বছরের কমবয়সী হিসেবে উপস্থাপন করছে। সেসব ভিডিওতে তারা অত্যন্ত নোংরা কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে, যেগুলো নানা দিক থেকে অবৈধ। ভিডিওতে তারা আসলেই ওইসব করছে না। তারা শুধু সেখানে অভিনয় করছে। এখন, যেসব দর্শক ওই ভিডিও দেখছে তারা অনুপ্রাণিত হচ্ছে আসলেই ওই জিনিসগুলো করতে, যেমন ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড, যৌন নিপীড়ন, বা ধরে নিন বিকৃত রুচির এই কার্যকলাপ এবং এ ধরনের জিনিস। ভিডিওতে এসব দেখার কারণে এসব তাদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে। তাই, যেমনটা আমি বলেছি, ব্যাপারটা সব সময়ই শুরু হয় খুব সরল কিছু দিয়ে এবং তারপর এমন একটা পর্যায়ে গড়ায় যেটা আসলে অনেক অর্থে অবৈধ। উদাহরণস্বরূপ, ভিডিওগুলো হতে পারে যে কোনো ক্যাটেগরির এমনকি কিছু ভিডিওতে দেখানো হয় কমবয়সীদের, যে কারণে বর্তমানে কিছু বড় কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। কিছু ভিডিওতে দেখানো হয় ধর্ষণের মতো কর্মকাণ্ড, কিছু মানুষের কাছে যা কাম্য, এবং সেগুলো দেখার পরে আসলে তারা বাস্তব জীবনে এসব করার উদ্দীপনা পাচ্ছে, যেহেতু তারা তাদের ফোনে অতি সহজেই এই ভিডিওগুলো দেখতে পারছে। আর এসব ভিডিওতে দেখানো হচ্ছে আগ্রাসন, সহিংসতা আর পারিবারিক নিপীড়নের মতো ঘটনা। যদিও ভিডিওতে এসব আসলেই ঘটছে না, বা অভিনেতারা এসব বিষয়কে সহজভাবে নিচ্ছে, এসব ভিডিওতে এই ধারণাগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে, এমনকি গৌরবান্বিতও হচ্ছে, যাতে মানুষ আরো আগ্রাসী হয়ে উঠছে এবং তাদের দ্বারা যৌন নিপীড়নের মতো ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বেড়ে উঠছে। হ্যাঁ, সুস্থ হওয়া সম্ভব। পর্নোগ্রাফিতে আসক্তদের জন্য ভালো খবর এই যে, আপনি আত্মসংযমী হলে মস্তিষ্ক আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেম ধীরে ধীরে, ১ বছরের মধ্যে বেজলাইনে ফিরে আসে। মস্তিষ্ককে আবার দিতে হবে সঠিক দৃশ্য আর স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। এবং অবশ্যই পর্নোগ্রাফি থেকে সম্পূর্ণরূপে দূরে থাকতে হবে। আসক্তির সময় অতিরিক্ত ডোপামিন নিঃসরণের কারণে মস্তিষ্কের রিসেপ্টরের সংখ্যা কমে যায়। ফলে স্বাভাবিক মানুষের তুলনায় আসক্তদের আনন্দ লাভের ক্ষমতা কমে যায়। যারা হস্তমৈথুন ত্যাগ করে, অল্প কিছুদিন পরেই তাদের ডোপামিন রিসেপ্টরের সংখ্যা বেড়ে গিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় আবার ফিরে আসে। তখন তারা আবার উপভোগ করতে শুরু করে জীবনকে, আবার তাদের ভালো লাগে বেড়াতে,