Towards Eternity
ব্লগে ফিরে যান

Christian And Muslim Debate! Every Muslim Should Watch!

প্রকাশের তারিখ

YouTube-এ দেখুন

-আমি একজন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী। খ্রিস্ট ধর্মই হচ্ছে সত্য। -ঈশ্বর আমার সাথে কথা বলেন। -খ্রিস্ট ধর্মের ঈশ্বরই হচ্ছে আসল ঈশ্বর। -ইসলাম ধর্মের ঈশ্বর সত্যি নয়। -“শেষ নবী” বলে কেউ নেই। -আপনার নবী ঈশ্বরপ্রেরিত হতে পারেন না। -যীশু খ্রিস্টই হচ্ছেন সত্য। -যে কেউ আশেপাশে আত্নার উপস্থিতি অনুভব করতে পারেন। -যখন আত্না আবির্ভূত হবে, তখন আপনার শরীর জ্বালাপোড়া করবে। -ঈশ্বর আপনার সাথে কথা বলবে এবং আপনি তা বুঝতে পারবেন। -আপনার হাতগুলো বরফের মতন ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। -তারপর আপনি ঈশ্বরকে শুনতে শুরু করবেন! + “সত্যের আত্মা যখন আসবেন!” (যোহন ১৬:১৩) +তারপর দুইটি দুইটি বাণী আবারও একে অপরের বিরোধিতা করে!

+এটি তাঁর সীমাবদ্ধতাকেই নির্দেশ করে। +যার সীমাবদ্ধতা আছে এবং যিনি কারো নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করেন তিনি ঈশ্বর হতে পারেন না! +আপনি কি করেন? কাজ, পড়াশোনা? -আমি ইস্তাম্বুল টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী। +তো, আপনি ধর্মবিশ্বাস কী? -আমি একজন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী। +আপনি কি ছোট থেকে একজন খ্রিস্টান হিসেবেই বড় হয়েছেন? -আমি খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছি। -সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য অনেক সময় লেগেছে। -আমি যখন হাইস্কুলে পড়তাম, একটি মেয়েকে আমার ভালো লাগে। -তার মৃত্যুর ফলে আমি এগুলো নিয়ে গবেষণা করতে শুরু করি। -পরবর্তীতে, আমি খ্রিস্টান ধর্মের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেই। -তারপর আমি ঈশ্বরকে দেখি এবং মেনে নেই। +ইসলামে কি ছিলনা, যা কিনা খ্রিস্টান ধর্মে আছে?

-খ্রিস্টান ধর্মের ঈশ্বরই হচ্ছেন আসল ঈশ্বর। -আমি মনে করি ইসলাম ধর্মের ঈশ্বর সত্যি নয়। -খ্রিস্টান হওয়ার পরে আমি ঈশ্বরের সাথে কথা বলতে শুরু করি। -আমি দেখতে পাই ঈশ্বর আমাকে সাড়া দিচ্ছেন। -যখন আমাদের কোন সমস্যা হয়, আমরা কথা বলি, তারপর প্রার্থনা করি। -পবিত্র গ্রন্থ পাঠ করার সময় একটি কথা বলা হয়েছে, -তারপরে, আপনি বুঝতে পারবেন যে এটি একটি ঐশ্বরিক বাণী। -এটা অযৌক্তিক মনে হতে পারে, কিন্তু তা নয়। -কেননা, ঈশ্বর তার সৃষ্টিদের সাথে যোগাযোগ করেন। -কিন্তু ইসলামে আমি এটি দেখতে পাইনি। -মনে করুন কোন এক সপ্তাহে আমার কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। -আমার জীবনে এমন প্রায়ই হয়ে থাকে। -আমার সমস্যার বিষয়ে আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি। -আর তারপরে রবিবারের ধর্মীয় বক্তৃতায় একটি সমাধান বের হয়ে আসে। -এটিকে আপনি কাকতালীয় বলতে পারেন। -কিন্তু আমি এটিকে এভাবে দেখি যে, ঈশ্বর আমার সাথে কথা বলছেন। +আপনি কি এটিকে প্রমাণ হিসেবে দেখেন?

+উদাহরণ হিসেবে, আমিও বলতে পারি যে, ইসলামে আমিও আমার জন্য আল্লাহর বার্তা দেখতে পাই। +এছাড়াও আমি তওফিকের (সর্বশক্তিমানের পরিকল্পিত ভাগ্য) অভিজ্ঞতা লাভ করি। +আমি এটাও অনুভব করি যে সবকিছু কাকতালীয় নয়, +এটা আমাদের সবার জন্যই সম্ভব। +ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য এটি কি যথেষ্ট প্রমাণ হতে পারে?

-অবশ্যই, এটি বৈজ্ঞানিক কোন প্রমাণ নয়। -কিন্তু, এটি ব্যক্তিগত প্রমাণ। -আমি এগুলোর অভিজ্ঞতা লাভ করেছি, -আমার ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে এটি একটি। -আমার জন্য, এটি অভিজ্ঞতার মাধ্যমেই নিশ্চিত হয়। -আমি মনে করিনা আপনার নবী ঈশ্বরের দ্বারা মনোনীত। -আমি মনে করিনা তিনি ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছেন। -মূল কথা হচ্ছে, যীশু খ্রিস্টই হচ্ছেন প্রকৃত সত্য। +আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবো: আমিও বাইবেল পড়েছি। +আপনি কি এমন একটি লাইন বলতে পারবেন যেখানে যীশু (আঃ) বলেছেন, “আমিই ঈশ্বর”? তিনি নিজে বলেছেন?

- তিনি সরাসরি বলেছেন এমন নেই, কিন্তু এমন অসংখ্য রেফারেন্স আছে যীশুর বিষয়ে, সেখান থেকেই আপনাকে নিতে হবে। +যখন আমি সত্যিকারের একজন গবেষক হিসেবে বাইবেল পড়েছি +এবং এমন একটি বাক্যও খুঁজে পাইনি +যেখানে যীশু নিজে বলেছেন, +তাহলে আমাকে কে বুঝাতে পারবে? +কারণ আমি অধ্যায়গুলোতে প্রচুর তথ্য দেখতে পাচ্ছি, + যেখানে বলা হয়েছে যে, যীশু খ্রিস্টকে ঈশ্বরের বার্তাবাহক হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। +তাহলে, এরপর আমি বলি যে: আমি যীশু (আঃ) কেও বিশ্বাস করি। +মুসলিম হওয়ার জন্য একজন মুসলমানকে অবশ্যই যীশু (আঃ) কে ভালোবাসতে হবে এবং মেনে নিতে হবে। +তিনি কোন বাণীতে বলেননি যে “আমি ঈশ্বর”। +অন্যান্য বাণীতে তিনি কি বলেছেন?

+তিনি শুধু এটাই বলেছেন যে, “আমি ঈশ্বর প্রেরিত নবী, যাকে তোমাদের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।” +তিনি নিজেকে একজন অনুগত বান্দা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। +চলুন বাইবেলের কিছু বাণী পড়ি। +যোহন ১৪:৩০ এ, এটি বলছে যে, “আমি তোমাদের সঙ্গে আর বেশীক্ষণ কথা বলব না, কারণ এই জগতের অধিপতি আসছে৷ আমার ওপর তার কোন দাবী নেই৷” +কে সেই ব্যক্তি যাকে তিনি “জগতের অধিপতি” বলে আখ্যায়িত করেছেন? +“জগতের অধিপতি...” -যোহন ১৪:৩০ এ বলা হচ্ছে যে: “আমি তোমাদের সঙ্গে আর বেশীক্ষণ কথা বলব না -কারণ এই জগতের অধিপতি আসছে৷ আমার ওপর তার কোন দাবী নেই৷” +কে এই “জগতের অধিপতি”? -“আমার ওপর তার কোন দাবী নেই৷” 85 00:03:04,597 --> 00:03:07,416 -“জগত সংসার যাতে জানতে পারে যে আমি পিতাকে ভালবাসি, - তাই পিতা আমায় যেমন আদেশ করেন আমি সেরকমই করি৷" -“এখন এস!

আমরা এখান থেকে যাই৷” -এখানে এই অধিপতি… +কে এই “জগতের অধিপতি”? -তিনি আসলে পবিত্র আত্নার কথা বলছেন। +আমি আগে অনুবাদ দেখেছিলাম, সেখানে বলা ছিল এই “অধিপতি” হচ্ছে শয়তান। +“জগতের অধিপতি হচ্ছে শয়তান।” +আপনি কি জানেন তারপরে কী হয়েছিল? +নতুন সংস্করণে তারা “শয়তান” শব্দটিকে পরিবর্তন করে “পবিত্র আত্না” বসিয়েছেন। +তাহলে কেন এখানে বলা হচ্ছে: "তিনি আসছেন", + যদি এটি "পবিত্র আত্না" হয়ে থাকে? +তখন কি পবিত্র আত্না ছিলনা?

+যদি এটি শয়তান হয়ে থাকে, তাহলে তাঁকে অবশ্যই সবাইকে সতর্ক করতে হবে +কেননা তাহলে ভয়ংকর কিছু আসছে। +আমি যা বুঝতে পারছি তা হচ্ছে, একজন নবী আসার কথা বলা হচ্ছে, +"জগতের অধিপতি," মুহাম্মদ (সা) এর দিকেই নির্দেশ করে। +সমগ্র মানবতার জন্য তিনি সর্বশেষ নবী। +যোহন ১৬:৮ এ বলা হচ্ছে, "যখন সেই সাহায্যকারী আসবেন তখন তিনি পাপ, ন্যায়পরায়ণতা ও বিচার সম্পর্কে + জগতের মানুষকে চেতনা দেবেন৷" +তাহলে জগতের অধিপতি যখন আসবেন, তখন তিনি কী করবেন?

+তিনি পৃথিবীর মানুষদের বুঝাবেন + তাদের পাপে ডুবে থাকা সম্পর্কে। + সুতরাং তিনি বলবেন; + "তুমি ভুল করছো এবং তুমি পাপের মধ্যে আছো," এবং আমাদের সতর্ক করবেন। +আবারও বলছি, এটি পবিত্র আত্না হতে পারেনা। +কেননা, তিনি যদি আমাকে একসময় সতর্ক করেন + তাঁকে কথা বলতে হবে, এবং এই বিষয়ে আমাকে জানাতে হবে। +আপনি বলেছেন, "মাঝেমাঝে আমি পবিত্র আত্নাকে অনুভব করি, মাঝেমাঝে করিনা"। +তাহলে এটি পরিষ্কার + কিংবা যুক্তিযুক্ত কোন পদ্ধতি হতে পারেনা। +কেন?

কেউ কেউ বলবে "তিনি আমার কাছে এসেছেন"। + অন্যরা বলবে "না, এটা বিভ্রম,"। + অন্য জায়গায় বলা হচ্ছে "তিনি আমার কাছে আসেননি..." +তাহলে, তিনি আসলে একজন নবীর কথা বলছেন। -আপনি যা বলছেন আমি বুঝতে পারছি। -আপনি “জগতের অধিপতি” বিষয়ে যেটি বলছেন, -পরবর্তী বাণীগুলোতে আপনি দেখতে পাবেন যে, এটি শয়তানের বিষয়ে বলা হচ্ছে। +তিনি কেন শয়তানকে অধিপতি হিসেবে উল্লেখ করলেন? +আপনি মাত্রই বললেন এটি “শয়তান” এবং “পবিত্র আত্না”... -এই বাণীর আগে, এটি পবিত্র আত্নার আগমন সম্পর্কে বলেছে, - আর তারপরে শয়তানের কথা। -আমরা ১৬ নাম্বারে পৌঁছে গেছি। -এখানে এটি ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। -পবিত্র আত্নার বিষয়টি হচ্ছে যে: -এটি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। +যদি এটি ব্যক্তিগত বিষয় হয়ে থাকে... -এটি ব্যক্তিগত!

-যখন আত্না আসেন, তখন সবাই সেটি অনুভব করতে পারে। -আত্না যখন আবির্ভূত হয়, তখন আপনার শরীর জ্বালাপোড়া করবে। -হয়তো আপনি এটিকে রোগ কিংবা পাগলামি বলবেন, কিন্তু এটি সত্য। -আত্নার মাধ্যমে ঈশ্বর আপনার সাথে কথা বলবেন। -আপনার হাত বরফের মতো ঠাণ্ডা হয়ে যাবে, তারপর আপনি ঈশ্বরকে শুনতে পাবেন! +যোহন ১৬:১৩ তে বলা হচ্ছে যে: "সত্যের আত্মা যখন আসবেন, তখন তিনি সকল সত্যের মধ্যে + তোমাদের পরিচালিত করবেন৷ +তিনি নিজে থেকে কিছু বলেন না, কিন্তু তিনি যা শোনেন তাই বলেন, + আর আগামী দিনে কি ঘটতে চলেছে তা তিনি তোমাদের কাছে বলবেন৷" +তাহলে, এইসব তথ্য কি নবী মুহাম্মদ (সা) এর আগমনের + সাথে সম্পর্কিত নয়?

+আমি তাকে সর্বশেষ নবী হিসেবে দেখি। -আপনি বলেছেন সত্যের আত্না। আপনি যদি এখানে দেখেন, আমরা একজন নতুন নবী খুঁজতে পারি। +সবগুলো তথ্যই একজন নবীর বৈশিষ্ট্যের কথা বলে। +তাহলে, আপনি কী মনে করেন? +“সত্যের আত্না” কে? -"পবিত্র আত্না" “সত্যের আত্না” নামে পরিচিত। -এই বাণীতে বলা হচ্ছে যে, তিনি নিজে থেকে কিছু বলবেন না... -আমি যদি আপনাকে বলি যে, “এমন একটি সত্ত্বা আছে -এবং তিনি ঈশ্বরের অংশ, -ঈশ্বর যা বলেন, তিনি শুধু তাই বলেন”। -সন্দেহ আছে, নাকি? এভাবে চিন্তা করে দেখুন। +বাণীতে বলা হচ্ছে, "তিনি যা শোনেন তাই বলেন।" +তিনি কার কাছ থেকে শুনছেন? -পিতার কাছ থেকে। -পিতা চরিত্রটির কাছ থেকে। +কিন্তু, তাঁর কি নিজস্ব শক্তি এবং বিচারবুদ্ধি নেই? +এইক্ষেত্রে তিনি কীভাবে তাহলে ঈশ্বর হতে পারেন?

-তাঁর ভিন্ন একটি চরিত্র আছে - এবং তিনি ভিন্ন কাজকর্ম করে থাকেন। +আপনি বলছেন চরিত্র, এই চরিত্র কি তাহলে অন্য চরিত্রটির কাছ থেকে +অনুমতি নিয়ে থাকেন? -না। -তাঁর কাছ থেকে যা আসে, তিনি তাই প্রচার করেন। -মনে করুন, একটি কোম্পানি -তাঁরা যা করেন তা পরিষ্কার। -আপনি একজন প্রতিনিধি নির্বাচন করলেন। -আপনি বললেন ‘তিনি আমাদের পক্ষ থেকে কথা বলবেন”। -এবং আপনি তাঁকে প্রমাণ হিসেবে একটি ডকুমেন্ট দিলেন, ঠিক আছে?

-এভাবে ভেবে দেখুন। +আদেশ গ্রহণের জন্য একটি জায়গা থাকে। +কেননা, তিনি যা শোনেন, কেবল তাই বলেন। +তিনি নিজে থেকে কিছু বলেন না। +কেউ যদি নিজে থেকে কিছু বলতে না পারে, সেটি তাঁর সীমাবদ্ধতাকে তুলে ধরে +এবং সীমাবদ্ধতা আছে এমন একজন যিনি আদেশের উপর নির্ভর করেন, তিনি ঈশ্বর হতে পারেন না। +বাইবেলে, +আরেকটি অংশ আছে যা নিয়ে আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই। +In Matthew 7:15-20 says, "ভণ্ড ভাববাদীদের থেকে সাবধান৷ +তারা তোমাদের কাছে নিরীহ মেষের ছদ্মবেশে আসে অথচ ভেতরে তারা হিংস্র নেকড়ে বাঘ৷ 184 00:06:17,970 --> 00:06:21,423 +তাদের জীবনের ফল দেখেই তোমরা তাদের চিনতে পারবে৷ (কাদের? ভণ্ড নবীদের) +কেউ কি কাঁটাঝোপের মধ্যে থেকে দ্রাক্ষা বা শিয়ালকাঁটার ভেতর থেকে ডুমুর পেতে পারে?

+ঠিক সেই ভাবে প্রত্যেক ভাল গাছে ভাল ফলই ধরে, কিন্তু খারাপ গাছে খারাপ ফলইধরে৷ +ভাল গাছে খারাপ ফল এবং খারাপ গাছে ভাল ফল + ধরতে পারে না৷ 189 00:06:35,086 --> 00:06:38,606 +যে গাছে ভাল ফল ধরে না তা কেটে আগুনে ফেলে দেওয়া হয়৷ +তাই আমি তোমাদের আবার বলছি, তারা যা করে তা দেখেই তোমরা তাদের চিনতে পারবে৷ +যদি বাইবেল আমাকে বলে যে, কীভাবে + একজন সত্য নবী আর ভণ্ড নবীর মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। +তাহলে সেটা থেকে আমরা কী বুঝবো? +যে, একজন নবী আসবেন... +কেউ আসল হবেন আর কেউ ভণ্ড। +এছাড়াও, যদি যীশু (আঃ) আসলেই শেষ নবী হয়ে থাকেন + তাহলে কেন আমাকে এই পদ্ধতির কথা বলা হচ্ছে? +ঠিক আর ভুলের মধ্যে বাছাই করার জন্য আমাকে একটি পদ্ধতির কথা বলা হচ্ছে...

+কেন তিনি এমন কিছু বললেন না যে; +"আমি শেষ নবী + আমার পরে আর কেউ আসবেন না?" -শেষ নবী বলতে কিছু নেই -এবং যীশু খ্রিস্ট শেষ নবী নন। -নবুওয়াতের কোন শেষ নেই। -নবুওয়াত একটি চলমান বিষয়। -এটি এখনও বর্তমান। -এটি সবার জন্যই সম্ভব; -কেউ যদি ঈশ্বরের কাছ থেকে বাণী পেয়েছে বলে দাবী করে, তাহলে আপনি এই পদ্ধতি ব্যবহার করে -তাদেরকে চিহ্নিত করতে পারবেন। -আমরা দাবী করছি না যে, যীশু খ্রিষ্টই হচ্ছেন শেষ নবী - এবং সবকিছু শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। -এখানে শুধু একটি জটিল বিষয় আছে। -বাইবেলের শেষ অংশে বলা হয়েছে: "এখন থেকে, এটির পরে আর কিছু আসবেনা।" -আপনি হয়তো ভাববেন, "তিনিই কি শেষ নবী?" -কিন্তু শেষ বলতে আসলে কিছু নেই। -এর কোন শেষ নেই। +তাহলে কেন আপনি মানতে পারেন না যে, + নবী মুহাম্মদ (সা) একজন নবী? -এটি খাপ খায় না। +মানে?

-এই বার্তা। সবার আগে, যীশুর নিজেকে উৎসর্গ করার বিষয়ে বার্তাটি সঠিক নয়... -আপনারা যীশু খ্রিস্টের নিজেকে উৎসর্গ করার বিষয়টি অস্বীকার করেন। +যোহন ৫:৩০ এ বলা হচ্ছে, "আমি নিজের থেকে কিছুই করতে পারি না৷ আমি (ঈশ্বরের কাছ থেকে) যেমন শুনি তেমনি বিচার করি; আর আমি যা বিচার করি + তা ন্যায়, কারণ আমি আমার ইচ্ছামতো কাজ করি না, বরং যিনি (ঈশ্বর) আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁরই ইচ্ছাপূরণ করার চেষ্টা করি।" +যদি যীশু (আঃ) ঈশ্বর হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি নিজে থেকে কেন কিছু করতে পারেন না?

+মানে, আমি আবারও দেখছি যে, তিনি একজন মানুষ। + মানে, তিনি ঈশ্বর হতে পারেন না। -কোন সন্দেহ নেই যে যীশু মানুষের দেহ নিয়ে এসেছিলেন। -তিনি মানবিক চাহিদা আর প্রয়োজন নিয়ে একজন মানুষ হিসেবে ছিলেন। -তার নিজের ভাষায়; আমি আমার আবেগ দিয়ে কথা বলছি না, -এই জায়গায় মানবিক আবেগগুলো কাজ করছেনা। -তিনি বুঝাতে চাচ্ছেন, এখানে যে কথা বলছে, সে ঈশ্বর। +কিন্তু বাইবেলে এমন কিছু নেই। +এটি আপনার নিজের ব্যাখ্যা। -হ্যাঁ, কেননা আগে যা বলা হয়েছিল আমি সেটি নিয়ে ভাবছি। +যোহন ৮:২৮-২৯ এ বলা হচ্ছে, “তখন যীশু তাদের বললেন, “যখন তোমরা মানবপুত্রকে উঁচুতে তুলবে, + তখন জানবে য়ে আমিই তিনি এবং আমি নিজের থেকে কিছুই করি না। পিতা যেমন আমায় শিখিয়েছেন, +আমি সেরকমই বলছি।" +আর যিনি আমায় পাঠিয়েছেন, তিনি আমার সঙ্গে আছেন৷ তিনি আমাকে একা ফেলে রাখেন নি, + কারণ আমি সব সময় সন্তোষজনক কাজই করি”। + কেন যীশু (আঃ) এমনভাবে কাজ করবেন যাতে ঈশ্বর, + সৃষ্টিকর্তা, তাতে খুশী হন?

+যদি তিনি ঈশ্বরের অংশ হয়ে থাকেন অথবা তিনি যদি ঈশ্বরই হয়ে থাকেন + তাহলে তো তাঁর কাউকে খুশী করার প্রয়োজন নেই। +মানুষকে অবশ্যই এমনভাবে চলতে হয় যাতে ঈশ্বর খুশী হন। +তাহলে, তাঁর ক্ষেত্রেও যদি একই জিনিস হয়, তাহলে তিনি অবশ্যই একজন নবী। -আমি বুঝতে পারছি, কিন্তু আপনি একজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি দেখছেন। -যাইহোক, এটি যা বলছে তা আসলে যৌক্তিক। -যাইহোক, "আমি সব সময় সন্তোষজনক কাজই করি।" - এটি বলা স্বাভাবিক, কেননা এখানে পিতাকে রেফারেন্স হিসেবে দেখানো হয়েছে। +তাহলে, তিনি যদি এখানে ঈশ্বরের কথা বলে থাকেন, তাহলে আমি বলবো তিনি একজন নবী। +তাঁকে যেরকম নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, তিনি সে অনুসারেই কাজ করছেন। + তিনি বলেন; "আমাকে যা বলা হয়েছে, আমি শুধু তাই করি + যা শুনেছি, শুধু তাই বলি। +তাঁকে সন্তুষ্ট করার জন্যই সবকিছু করি।" +তাহলে আপনি কেন বিশ্বাস করেন না যে, নবী যীশু (আঃ) নিজেই...

-এগুলো খুবই যৌক্তিক প্রশ্ন কিন্তু কিন্তু এগুলো কি সঠিক? -না! -আমি ঈশ্বরকে জানি এবং বুঝতে হলে আপনাকে আগের বাণীগুলো দেখতে হবে। +আমি যদি দেখিও, এর ফলে কিছু পরিবর্তন হচ্ছেনা। +শিষ্যচরিত ৩:১৩, “তিনি অব্রাহামের, ইসহাকের ও যাকোবের ঈশ্বর, আমাদের পিতৃপুরুষদের ঈশ্বর, তিনিই তাঁর দাস যীশুকে মহিমান্বিত করেছেন৷” +বাণীটি বলছে "দাস যীশু"। +আমি কীভাবে যীশুকে ঈশ্বর বলে ধরে নিবো, +যখন এখানে বলা হচ্ছে যে, তিনি একজন দাস?

+এরকম আরও অনেক বাণী আছে। +শিষ্যচরিত ১৭:৩১, “কারণ তিনি একটি দিন স্থির করেছেন, যে দিনে তিনি তাঁর নিরূপিত একজনকে দিয়ে + সারা জগত সংসারের বিচার করবেন৷ +এই বিষয়ে সকলে যেন বিশ্বাস করতে পারে এমন প্রমাণও তিনি দিয়েছেন: এই প্রমাণস্বরূপ তিনি মৃতদের মধ্য থেকে তাঁকে পুনরত্থিত করেছেন!” +আবারও তাঁকে মানুষ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, একজন মানুষ হিসেবে। -তিনি একজন মানুষ হিসেবে আসেন। সেইসাথে, তাঁর একটি ঐশ্বরিক প্রকৃতি আছে। -আপনি তাঁর মানুষের মতন কাজকর্ম দেখে তাঁর ঐশ্বরিক স্বত্বার বিষয়ে ধারণা করতে পারেন না। -তাঁর ঐশ্বরিক প্রকৃতি এসেছে তাঁর ঐশ্বরিক কাজকর্ম থেকে, যেমন পাপ ক্ষমা করে দেয়া। -এটিই হচ্ছে পার্থক্য। দুইটি বিষয় আলাদা করা সম্ভব নয়। -কেউ কেউ বলে তিনি “১০০% মানুষ অথবা ১০০% ঈশ্বর”। -তাহলে সব মিলিয়ে ২০০% হলো। এমন কিছু কি আছে?

না। এটি অযৌক্তিক। -তিনি একইসাথে একজন মানুষ এবং একজন ঐশ্বরিক স্বত্বা। +ঈশ্বর কীভাবে একইসাথে তাঁর নিজের বান্দা এবং প্রভু হতে পারেন? +এগুলো পরস্পর বিরোধী কথাবার্তা। আপনি আগের বাণীগুলো সম্পর্কে যেমনটা বলছিলেন, মুসা (আঃ) এর বর্ণনায় একটি অংশ আছে। +দ্বিতীয় বিবরণ ৫:৬-১০; "আমি প্রভু তোমাদের ঈশ্বর। তোমরা যেখানে ক্রীতদাস হয়েছিলে সেই মিশর থেকে আমি তোমাদের পথ দেখিয়ে বের করে নিয়ে এসেছিলাম। + তোমরা অবশ্যই আমাকে ছাড়া অন্য কোনোও দেবতার পূজা করবে না।" +আবারও আমি দেখছি যে, ঈশ্বর কেবল একজনই। +দ্বিতীয় বিবরণ ৬:৪ বলছে: "ইস্রায়েলের লোকরা শোনো! প্রভু, আমাদের ঈশ্বর হলেন একমাত্র প্রভু!" +এটার আরবী মানে হচ্ছে; “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” +আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। +ঈশ্বর কেবল একজনই আছেন। +মুসা (আঃ) কী বলছেন?

+"ইস্রায়েলের লোকরা শোনো! প্রভু, আমাদের ঈশ্বর হলেন একমাত্র প্রভু!" +যদিও এই এই বাণীতে মুসা (আঃ) বলছেন... + যাকে আপনারা একজন নবী হিসেবে স্বীকার করেন। ঈশ্বর কেবল একজনই। +মুসা (আঃ) এর বিরোধিতা করে তিনজন ঈশ্বরে বিশ্বাস করা কি সম্ভব? -হ্যাঁ, ভাই। ঈশ্বর কেবল একজনই। -আমাদেরকে অবশ্যই তাঁদেরকে ঈশ্বরের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে দেখতে হবে। -কোন মাধ্যম হিসেবে ভাবুন। যার মধ্য দিয়ে ঈশ্বর কথা বলেন। -এটা Whatsapp এর মতো। +তাহলে আপনি বলছেন যে তিনি মানুষের রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন? -হ্যাঁ!

+যাইহোক, গণনা পুস্তক ২৩:১৯ বলছে: +"ঈশ্বর মানুষ নন; তিনি মিথ্য়ে বলবেন না। ঈশ্বর মানুষ নন; তাঁর সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হবে না।" +"যদি প্রভু বলেন যে তিনি কোনো কাজ করবেন, তখন তিনি অবশ্যই সে কাজ করবেন।" +"যদি প্রভু যদি কোনো প্রতিজ্ঞা করেন তাহলে তিনি প্রতিজ্ঞা মতো কাজটি করবেন।" +এই বাণী অনুসারে। ঈশ্বর কোন মানুষ নয়, তাই তিনি মিথ্যা বলতে পারেন না। +আপনি দাবী করছেন যে, তিনি মানুষের রূপও ধারণ করতে পারেন। -হ্যাঁ... +এটি কি তাহলে এই বাণীর বিরোধিতা করেনা? -না, ঈশ্বর কোন মানুষ নয়। -আমি বুঝাতে চাচ্ছি যে, তিনি আদমের বংশধর নন। -আদম সন্তানেরা পাপ কাজে লিপ্ত হয়। -তাই তিনি মানুষ রূপে এসেছিলেন এবং তাঁর কোন পিতা ছিলনা। +তাহলে কি যীশু (আঃ) একজন মানুষ ছিলেন না?

-তিনি একজন মানুষ। +কিন্তু এখানে বলছে যে, “ঈশ্বর কোন মানুষ নয়”। -ভাই, আমরা অনেক পুরাতন "গণনা পুস্তক" নিয়ে কথা বলছি। +কিন্তু আপনি বলেছেন, “আমি মেনে নিচ্ছি”। -ঠিক আছে। কিন্তু এটি পরে ঘটে। -ঈশ্বর মানুষের রুপ ধারণ করেন এবং একজন শিশুর বেশে আবির্ভূত হন। +তাহলে আবারও এই বাণীটির বিরোধিতা করা হচ্ছে। +কারণ আপনি দাবী করছেন যে, দুটোই সত্য। -এই বাণীতে বলছে, "ঈশ্বর কোন মানুষ নয়, তাই তিনি মিথ্যা বলতে পারেন না।" -আমরা এটিকে একটু ভেঙ্গে চিন্তা করি?

মানুষ মিথ্যা কথা বলে। -সুতরাং, ঈশ্বর মানুষের মতন মিথ্যা কথা বলেন না। -একইভাবে, যীশু মানুষের মতন মিথ্যা কথা বলেন না। +কিন্তু, তিনি মানুষ। -মানুষ, অবশ্যই। +আমি খুব ভালো বুঝতে পারিনি। -আমি বুঝতে পারছি যে, এটা কঠিন, আপনাকে এটি ভেঙ্গে দেখতে হবে। +যাইহোক, আপনি ঈশ্বরকে একজন মানুষ হিসেবেই দেখছেন, +যদিও এই বাণীতে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে যে, “ঈশ্বর কোন মানুষ নয়”। +হোসেয়া ১১:৮-৯ তে; "আমি আমার ভয়ঙ্কর রোধক কখনই জয়ী হতে দেব না, + আমি আবার ইফ্রয়িমকে ধ্বংস করব না। + আমি ঈশ্বর, আমি মানুষ নই—" আবারও, এটি একইভাবে বলা হয়েছে। +তাহলে, যখন আমি পুরাতন এবং নতুন বাণীগুলো দেখছি + আমি সবসময় একই জিনিস পাচ্ছি। +সবসময় কেবল একজন ঈশ্বরের কথাই বলা হচ্ছে। +সবসময় বলা হচ্ছে তিনি মানুষ নয়। +যখন আমি যীশু (আঃ) এর বাণী পড়ি, + তিনি কখনো বলেননি যে “আমি ঈশ্বর”। +পরবর্তীতে মানুষ দাবী করলো: “যীশু হচ্ছেন ঈশ্বর কিংবা ঈশ্বরের পুত্র”। +আসলে তারা নতুন একটি ধারণা নিয়ে এসেছেন। +যখন আমি শেষ নবির আগমন বিষয়ে বাণীগুলো পড়ি, + প্রতিটি বাণীই আমাদের শেষ নবী (সা) সম্পর্কে। +ছোট করে বলতে গেলে, যখন আমি বাইবেল পড়ি আমি বারবার এটাই দেখি যে + ইসলাম সত্য ধর্ম এই বিষয়ে সন্দেহাতীত প্রমাণ রয়েছে -এমন কিছুই নেই। -আমি এটিকে এভাবে দেখিনা। এমন কোন বার্তাই নেই। +আমি কেবল একটি উদাহরণ নিয়েই কথা বলিনি। +আমরা অনেকক্ষণ ধরেই কথা বলছি। +হয়তো দশ মিনিট কিংবা তারও বেশী, আমরা কথা চালিয়ে যেতে পারি। আমি অনেক গবেষণা করেছি। +আমরা অনেক জায়গা খুঁজে পাবো যেখানে ইসলামের সত্যতার প্রমাণ আছে। +এমনকি হুসাইন আল-জিসর নামের একজন স্কলার ইসলামের ১১৪টি প্রমাণ খুঁজে বের করেছেন। +১১৪!

+তার বইয়ে সবগুলোর উল্লেখ আছে। +আমি শতশত উদাহরণ থেকে দেখতে পারি যে, শেষ ধর্ম সত্য এবং একজন নবী আসবেন। +তাহলে এখন আমাদের সামনে আগানো উচিত। +আপনি হয়তো আলাদাভাবে ভাবছেন। +আপনি কি অন্তত আরও গভীরে গবেষণা করবেন এবং প্রশ্ন করবেন? - আমি সবসময় পড়াশোনা করি, কিন্তু ইদানীং কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি। -যার কারণে আমি প্রস্তুত না। আমি কথা বলতে পছন্দ করি। +ইসলাম এবং হাদিস সম্পর্কে আমাদেরকে যেকোন প্রশ্ন করতে পারেন। +আমরা একটি গ্রুপ হিসেবে প্রস্তুত আছি। আমি মূল যে বিষয়টি বলতে চাচ্ছি, সেটি হচ্ছে: + মুসলিম হিসেবে, আমরা ইতিমধ্যে যীশু (আঃ) কে নবী হিসেবে ভালোবাসি এবং বিশ্বাস করি। +সেইসাথে আমরা আসল বাইবেল এবং আগের সব নবীদেরও বিশ্বাস করি। +তাহলে, পার্থক্য কোথায়?

+আমরা শুধু এক ঈশ্বরেই বিশ্বাস করি এবং তিন ঈশ্বরের ধারণাকে গ্রহণ করিনা। +এবং শেষ নবীর আগমনের বিষয়ে যথাযথ তথ্য রয়েছে। +আপনি যদি গবেষণা চালিয়ে যেতে চান, ইসলাম সম্পর্কে কথা বলার জন্য আমরা আছি। -ধন্যবাদ। আমি মনে করি মূল জায়গাগুলোতেই পার্থক্য রয়েছে। -কিন্তু আমরা আবারও কথা বলবো। আমার কোন সমস্যা নেই। +আপনার সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগলো। +নিজের খেয়াল রাখবেন। +করোনা ভাইরাসের কারণে আমরা কোলাকুলি করতে পারছিনা... :) নোট: হুসাইন আল-জিসর পবিত্র বাইবেল নিয়ে গবেষণা করার মাধ্যমে ইসলামের প্রমাণ খুঁজে বের করেছেন।